“ডেঙ্গুর জীবাণুবাহি একটি এডিস মশা আরেকটি জীবানুবাহি মশার জন্ম দিচ্ছে”

রাজধানীতে এডিস মশার উপস্থিতির ঘনত্ব অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে। এডিস মশা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ জরিপে শঙ্কাজনক এই তথ্য উঠে এসেছে। তাই মশা নির্মূল করা না গেলে, আগামী দু’মাসে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হবে বলছেন কীটতত্ববিদরা।

ঢাকা দক্ষিণের ৩০ নাম্বার ওয়ার্ড। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি দল নির্মাণাধিন এই ভবনে ঢোকার পর ৬ বাই ১০ ফিট দৈর্ঘের এই গর্তটির সন্ধান পায়। ভবনটি গেলো ১২ বছর ধরে এভাবেই পড়ে আছে। আর পরিণত হয়েছে এডিস মশার অন্যতম এক প্রজণন ক্ষেত্রে।

কেবল দক্ষিণের এই ওয়ার্ডই নয়। এডিস মশা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে উত্তর ও দক্ষিণের একশটি ওয়ার্ড এর বসতবাড়ীর চেয়েও নির্মানাধিন ভবনে এডিস মশার অস্তিত্ব বেশি মিলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ এই জরিপে যে তথ্যটি সংশ্লিষ্টদের ভাবিয়ে তুলেছে সেটি হলো; ডেঙ্গুর জীবাণুবাহি একটি এডিস মশা আরেকটি জীবানুবাহি মশার জন্ম দিচ্ছে। অর্থাৎ প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এই মশারা ডেঙ্গুর জীবানু বহন করছে। সেই সাথে এদের উপস্থিতির ঘনত্ব অতিতের সব রেকর্ড ভেঙ্গেছে। তাই মশা নিধনের কোন বিকল্প নেই

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, জরিপের ফলকে সামনে রেখে এডিস মশা দমনে দুই সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করা হবে।

সঠিক স্থানে ও সঠিক পদ্ধতিতে মশা দমনে ব্যার্থ হলে আগস্ট সেপটম্বরে পরিস্থিতি আরও ভযাবহ হবে; বলছেন কীটতত্ববীদরা।