সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রটানো বন্ধ করুন এই উপায়ে

> প্রথমটি হচ্ছে, গুজবগুলো সাধারণত ফেসবুক নিউজ ফিডে আর ইনবক্সের মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এখন যারা এসব জায়গায় পোস্ট শেয়ার করে, তারা হয়তো ম্যানুয়ালি ঘণ্টায় ১০ হাজার মানুষের কাছে একটা মেসেজ পাঠাতে পারছে। এখন সেম পোস্টের কাউন্টার পোস্ট আমরা ভাইরাল করতে পারি ডিজিটাল মার্কেটিং মেথড ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে ঘণ্টায় ১ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছানো অসম্ভব কিছু না। এর মাধ্যমে একটা ইনস্ট্যান্ট রেজাল্ট পাওয়া যায়।

> দুই নম্বর উপায় হচ্ছে এ ধরণের গুজবের পোস্ট দেখলেই সেটা নিয়ে স্ট্যাটাস না লিখে সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্ট করে দেয়া। যখন অনেক মানুষ একসঙ্গে রিপোর্ট করবে তখন স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুক একটা ব্যবস্থা নেবে।

> তৃতীয় উপায় হল প্রি ভাইরাল অ্যাওয়ারনেস। অর্থাত্‍ কোনটি গুজব আর কোন ধরণের পোস্ট শেয়ার করা যাবেনা। এই বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা খুব জরুরি।

অন্য সব পদক্ষেপ

> এমন গুজবে কান না দিতে সেতু নির্মাণ কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি একটি বিবৃতি প্রকাশের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। ব্রিজ নির্মাণে মানুষের মাথা প্রয়োজন হওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি গুজব বলে সেখানে নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি সবাইকে প্রচার করা।

> কোন কন্টেন্ট ম্যাস ফরোয়ার্ড করা বা গণহারে একসঙ্গে অনেক মানুষকে পাঠানো বন্ধ করা।

> কোন মেসেজ আপনার কাছে ফরোয়ার্ডেড হয়ে আসলে সেটা যিনি পাঠিয়েছেন, তিনি সেটা নিজে লিখেছেন নাকি অন্য কারো লেখা ফরোয়ার্ড করেছেন। তা জেনে নিন। এভাবে গুজব ছড়ানোর হার অনেকটাই কমে যাবে।

> এছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গুলো হাট-বাজার, বাস স্ট্যান্ড, লোকালয় বা জনসমাগম স্থানে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালায়।

> সন্দেহজনক ৬০টি ফেসবুক আইডি, ২৫টি ইউটিউব লিংক এবং ১০টি নিউজ পোর্টাল বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুজব রটনাকারী অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। তাই সতর্ক থাকুন, গুজব ছড়াবেন না।

ওয়েব সম্পাদনা : জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়