ব্রেকিং নিউজ:
৩-৪ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি এমন কিছু না: অর্থমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক    সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১২, মঙ্গলবার,     ০৮:২২:১২

 

সোনালী ব্যাংকে হলমার্কের অর্থ জালিয়াতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, “আমরা বছরে ৪০ হাজার কোটি টাকার উপরে ঋণ দেই। এর মধ্যে তিন বা চার হাজার কোটি নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। এটা এমন বড় কোনো অংকের অর্থ নয়, যা নিয়ে এতো হৈ চৈ করতে হবে। বরং সংবাদ মাধ্যম এটা নিয়ে এমনভাবে প্রচারণা শুরু করেছে যেন দেশের ব্যাংকিং সেক্টর ধসে গেছে। এতে আমাদের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে, দেশের ক্ষতি হচ্ছে।”
হলমার্ক কেলেঙ্কারি ঘটার কারণ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, “সোনালী ব্যাংকের এই ঋণের ক্ষেত্রে সার্ভিল্যান্সের (তদারকি) যে দায়িত্ব- সেটা ঠিকমতো কাজ করেনি। যার যে দায়িত্ব ছিল সে তা ঠিকমতো পালন করেনি ।”
মঙ্গলবার সকালে হোটেল রূপসী বাংলায় ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ইউএসএআইডি, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), প্রগতি ও এমআরডিআই এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই গোলটেবিলে অর্থমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দূর করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খুবই ভালো একটি উপাদান। অনলাইন পেমেন্ট স্মার্ট কার্ড দুর্নীতি কমাতে সাহায্য করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, “অর্থনীতির জন্য কালো টাকা একটি মারাত্মক সমস্যা। তবে কালো টাকা থাকবে এটাই বাস্তবতা।”
গোলটেবিলে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী। এতে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান। ড. অনন্য রায়হানের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা।
শেয়ারবাজার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “শেয়ারবাজারে যে দুর্নীতি হয়েছে, এ নিয়ে দুদকে কেউ সাক্ষী দিচ্ছে না। সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছে না।”
বিশ্বব্যাংকের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাংকের ইন্টিগ্রিটি সেকশন একটি জিহাদি বিভাগ। এর সংশোধন দরকার আছে, যেমন দরকার আছে গণমাধ্যমেরও সংস্কারের।”

এম. এস./১৭.৩০
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৭৪৫৫ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :