ব্রেকিং নিউজ:
উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে কমিশন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক    অক্টোবর ০৩, ২০১২, বুধবার,     ১১:১৪:০৫

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান ও এসব প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘উচ্চ শিক্ষা কমিশন’ নামে একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নেও একটি স্বতন্ত্র এক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠনের বিষয় সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বুধবার সকালে তাঁর কার্যালয়ের শাপলা মিলনায়তনে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর পদক’ বিতরণের সময় একথা বলেন। অনুষ্ঠানে ২০১০ সালে শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৮২ শিক্ষার্থীকে এই পদক দেয়া হয়।
নিজস্ব আয়ের উপর অধিকতর নির্ভরশীল হওয়ার প্রয়াস চালাতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সরকারি অর্থের ওপর অধিক নির্ভরশীলতার কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসনের অধিকার খর্ব হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আর্থিক বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে সরকারের ওপর নির্ভরশীল। এই নির্ভরতা কমাতে হবে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। এজন্য নিজেদেরই উদ্যোগী হতে হবে।”
শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. আতফুল হাই শিবলী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরী।
পদকপ্রাপ্তদের পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভূতিভূষণ সিকদার ও বুয়েটের নাজিয়া নাফসিন তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
২০১০ সালে একটি সমন্বিত শিক্ষা নীতি প্রণয়নে তাঁর সরকারে প্রয়াসের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই শিক্ষা নীতিতে আমরা গণ, প্রাথমিক, মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার উপর জোর দিয়েছি।
সবার জন্য উচ্চ শিক্ষা এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তার লক্ষে প্রাথমিকভাবে ১শ’ কোটি টাকার ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠনের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ৫ বছর আগে, দেশে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ লাখ। বর্তমানে তা ২২ লাখে দাঁড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।
এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫ জন করে, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ জন করে,ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও নোয়াখালী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন করে,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১ জন করে মোট ৮২ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের এ পদক দেয়া হয়।

এম. এস./২০.৫৬
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৩৮৬ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :