ব্রেকিং নিউজ:
সংশোধন হচ্ছে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন আইন
নিউজ ডেস্ক    অক্টোবর ১০, ২০১২, বুধবার,     ১২:৫৪:৫৯

 

ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন আইন সংশোধন হচ্ছে এমন খবরে আবারো নতুন করে বাজার চাঙ্গা হবে বলে আশা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। এই আইনের চুড়ান্তু খসড়া নীতিগত অনুমোদন করেছে মন্ত্রীসভা। স্টক এক্সচেঞ্জ পরিচালনা পর্ষদ ও প্রশাসন আলাদা করে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনবে এ আইন। শেয়ারবাজার ও অর্থনীতি বিশ্লেষকরাও বলছেন এটি যুগান্তকারী । তবে শর্ত হলো কার্যকর বাস্তবায়ন।
পুজিবাজারে পরিচালনা পর্ষদকে প্রশাসনিক কাঠামো থেকে আলাদা বা ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের বিষয়টি আলোচনা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। তবে, এই লক্ষ্যে কর্মপ্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্য গেল বছরের ২রা ফেব্রুয়ারি ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের মনোনীত সদস্য এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ আইসিবি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামানকে প্রধান করে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। দেড় বছর ধরে নানা ধাপ পেরিয়ে অবশেষে মঙ্গলবার মন্ত্রী পরিষদ সভায় ডিমিউচ্যয়ালাইজেশনের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। আইএমএফের প্রতিশ্রুত ১০০ কোটি ডলার ঋণের শর্তেও ৩০শে জুনের মধ্যে ডিমিউচুয়ালাইজেশনের কথা জুড়ে দেয়া হয়েছে।
বর্তমানে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা যাদের হাতে, ব্যবস্থাপনাও পরিচালিত হয় তাদেরই সিদ্ধান্তে। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পর স্টক এক্সচেঞ্জের সংখ্যাগরিষ্ঠ পদে স্বাধীন পরিচালক নিয়োগ হবে। ফলে ব্যবস্থাপনার ওপর থেকে মালিকানার প্রভাব কমে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বর্তমানে দেশের দুইটি স্টক এক্সচেঞ্জগুলো নট-ফর-প্রফিট অর্গানাইজেশন বা মুনাফার জন্য নয় এমন প্রতিষ্ঠান। ডিমিউচুয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দুটোই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে। তখন স্টক এক্সচেঞ্জগুলো মুনাফা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচ্য হবে। আর প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও'র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। এ ছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জগুলো কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছেও শেয়ার বিক্রি করতে পারবে।
নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রী পরিষদে আইন পাস হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জগুলো তাদের প্রস্তাবিত ডিমিউচুয়ালাইজেশনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেবে। এসইসি পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন করবে।

এ.আর/১২২৭

বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৩৮৯ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :