ব্রেকিং নিউজ:
মোহামেডানকে হারিয়ে ফাইনালে শেখ রাসেল
নিউজ ডেস্ক    অক্টোবর ১৯, ২০১২, শুক্রবার,     ০১:২৮:৩০

 

প্রথম বারের মতো ফেডারেশন কাপের ফাইনালে উঠেছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনের পরিণত হওয়া শেখ রাসেল ইনজুরি সময়ে জাহিদ হাসান এমিলির গোলে মোহামেডানকে হারিয়েছে ২-১ ব্যবধানে।
শুরুতে বল-দখলের লড়াইয়ে শেখ রাসেলের চেয়ে এগিয়ে ছিলো মোহামেডান। ছয় মিনিটেই গোলও পেয়ে যায় তারা। স্বদেশি মোস্তফা ইব্রাহিমের লব থেকে বক্সমুখে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় শেখ রাসেল গোলরক্ষক বিপ্লবকে পরাস্ত করেন ঘানার ফরোয়ার্ড ওসাই মরিসন।
২৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে নিতো পারতো সাদা-কালোরা। কিন্তু সোহেল রানার থ্রুতে বক্সে ইব্রাহিমের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। বিরতির আগে শেখ রাসেল গোলপরিশোধের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করে ৩১ মিনিটে। হাইতিয়ান স্ট্রাইকার সনির নোরদের শট পোস্টমুখে রক্ষণভাগ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে ফিরে আসার মুমূর্তে ফিরতি শট নেন মামুনুল। কিন্তু গোলরক্ষক মামুন খান দক্ষতার সঙ্গে সেটি গ্লাভসে নেন।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঝমাঠ আয়ত্ত্বে রেখে একের এক এক আক্রমণ গড়ে তুলে শেখ রাসেল। ৫১ মিনিটে মামুনুলের ফ্রিকিক গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসলে আবারও গোলবঞ্চিত হয় তারা।
উজ্জীবিত রাসেল মোহামেডানের ওপর চাপ অব্যাহত রেখে ৫৯ মিনিটে গোল আদায় করে নেয়। ডানপ্রান্ত থেকে জাহিদ হোসেনের ক্রসে থেকে নিশানাভেদ করে দলকে সমতায় ফেরান মরক্কোর আবু কাসেম।
৭৬ মিনিটে শেখ রাসেলের মামুনুল মোহামেডানের সোহেল রানাকে ট্যাকল করেন। সোহেল রানা মাঠে পড়ে যাওয়ায় জাহিদ বল নিয়ে ওই খেলোয়াড়ের গায়ে মারলে রেফারি তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। জাহিদ লাল কার্ড পেলে মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রেফারির সঙ্গে বচসা ও হাতাহাতিতে লিপ্ত হওয়ায় রাসেলের এক কর্মকর্তাকে ডাগআউট থেকে বহিষ্কার করা হয়।
নয় মিনিট বন্ধ থাকার পর আবার খেলা শুরু হয়। একজন কম নিয়েও শেখ রাসেল সমানতালেই মোহামেডানের বিপক্ষে লড়ে যায়।
ইনজুরির সময়েও ম্যাচের ফলাফল ১-১ সমতায় থাকায় তৈরি হয়েছিল খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা। কিন্তু শেষ মিনিটে শেখ রাসেলকে নাটকীয় জয় উপহার দেন এমিলি। মামুনুলের কর্নারে এমিলির জোরালো হেড জাল কাঁপাতেই উৎসবে ফেটে পড়ে শেখ রাসেল গ্যালারি।
ম্যাচশেষে শেখ রাসেল কোচ মারুফুল হক বলেন, ‘পাসিং ফুটবল খেলতে চেয়েছি আমরা। দ্বিতীয়ার্ধে দল উজ্জীবিত খেলা উপহার দিয়েছে।’ অন্যদিকে মোহামেডান কোচ সাইফুর বারী টিটু বলেন, ‘ডিফেন্সের ভুলের কারণে হারতে হয়েছে আমাদের। শেখ রাসেল ১০ জনের দল হওয়ার পর আমাদের কৌশল পাল্টে আরও অ্যাটাকিং খেলতে চেয়েছি। কিন্তু রবিনের কাছে যেটা প্রত্যাশা ছিলো সেটা সে দিতে পারেনি।’
এদিকে ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ মোহামেডান সমর্থকদের হাতে লাঞ্চিত হন সাইফুল বারী টিটু। দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুযোগে কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল সমর্থক মাঠে ঢুকে পড়ে টিটুর ওপর চড়াও হয়। এই উত্তেজনাপূর্ণ সেমিফাইনাল ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে এসেছিএল ১০ -১২ হাজার দর্শক।

এম. এস./১১.৩৫
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৪৫৭ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :