ব্রেকিং নিউজ:
যুদ্ধাপরাধের বিচারে স্বচ্ছতা, রামু'তে সংসদীয় তদন্ত চান ড.কামাল
নিউজ ডেস্ক    অক্টোবর ২০, ২০১২, শনিবার,     ০৮:৪৬:০৫

 

গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার যেনতেনভাবে করা যাবে না, করতে হবে স্বচ্ছতার সঙ্গে । সাথে সাথে করতে হবে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধবিহার ও বসতিতে হামলার সংসদীয় তদন্ত ।
আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে “সাম্প্রতিক রাজনীতি” নিয়ে একক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন।
প্রবীণ আইনজীবী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল মত দেন, যুদ্ধাপরাধের বিচারকাজে স্বচ্ছতার কথাগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে হবে – এজন্য নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং করা দরকার। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধের বিচারের ব্যাপারে প্রচার-অপপ্রচার সবই থাকতে পারে। তাই এ ব্যাপারে সবকিছু সবাইকে জানিয়ে করা দরকার।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বলব না, যেনতেনভাবে দোষী সাব্যস্ত করে যুদ্ধাপরাধের বিচার হোক। কারণ, আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাস করি। যেনতেনভাবে শাস্তি দিলে তা অনেক আগেই দেওয়া যেত।’
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধবিহার ও বসতিতে হামলার সংসদীয় তদন্ত দাবি করে ড. কামাল বলেন, ঘটনার শুরুতেই সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা উচিত ছিল। এ সংসদীয় কমিটি জানতে চাইবে,কেন গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পায়নি। এ সংসদীয় কমিটির কাছে জবাবদিহি করতে হবে সবাইকে --পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যন্ত যে কাউকে। বের করা হবে এ ঘটনায় তাদের কার কী ভূমিকা ছিল- কারা উস্কে দিয়েছে ঘৃণার আগুন- সক্রিয় ছিল সম্প্রীতি পোড়ানো আগুন ছড়াতে। বের করতে হবে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কারা দেখিয়েছে বিপন্ন মানুষগুলোর নিরাপত্তা দিতে নির্লিপ্ত নিষ্ক্রিয়তা। কারা গড়িমসি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ তামিল করতে।
এমনিতেই অনেক দেরিতে জারি করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণাললয়ের সে নির্দেশ কত ঘণ্টা পরে এসেছে কক্সবাজারে এবং আরো কত ঘণ্টা দেরি লেগেছিল তা কার্যকর করতে, এসব তথ্য বের করে দায়ীদের শাস্তি দেবে এ সংসদীয় কমিটি।
বক্তৃতা-সভার আয়োজক সংগঠন মুক্তচিন্তা ফোরাম’র আহ্বায়ক আশীষ কুমার সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পিয়াস করিম।

এম. এস/১৭.৩০
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৪১৬ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :