ব্রেকিং নিউজ:
ঈদের আগেই বেড়েছে মসলার দাম
নিউজ ডেস্ক    অক্টোবর ২৪, ২০১২, বুধবার,     ১২:৩০:০৮

 

ঈদের আগে মসলার দাম বাড়বে, ভোক্তার ভোগান্তি বাড়বে এটিই যেন বাংলাদেশের ব্যবসার সংস্কৃতি। এবারও বেড়েছে মসলার দাম। বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের বেঁধে দেয়া নির্দেশিত দামও মানছেনা ব্যবসায়ীরা।
ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। অন্যান্য কেনাকাটা শেষে ক্রেতাদের ভিড় এখন মসলার বাজারে। কিন্তু এরই মধ্যে কাঁচা মসলার দাম বেড়েছে কয়েক ধাপ। ঈদের ঠিক আগ মূহুর্তে দাম বাড়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা।
মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে সবধরণের মসলার দাম বেড়েছে ৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আমদানি করা রসুনের দাম। কেজিতে পঞ্চাশ টাকা। দেশি পেঁয়াজ়ের চাহিদার ৬০ ভাগ পূরণ করতে পারলেও বাকিটা জন্য ভরসা করতে হয় আমদানি করা পেঁয়াজের উপর। একই ভাবে দেশি রসুন ৮০ ভাগ চাহিদা পূরণে করতে পারলেও বাজারে চাহিদা বেশি আমদানি করাটার-ই।
মাঝে আমদানি কম ছিল তাই কিছুটা দাম বেড়েছিল এখন আমদানি ভাল আশা করা যায় দাম কমবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রনালয় সূত্রে জানানো হয়েছে। বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রনালয় থেকে বলা হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের বলেছেন, মসলার দাম বেড়েছে এ বিষয় আমাদের নজরে আছে। মনিটরিং বাড়ানো হয়েছে আশা করি দাম কমে যাবে।
গেলো ১৪ই অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মসলাসহ ৮টি পণ্যের সম্ভাব্য দাম ঠিক করে দিলেও, প্রতিবারের মতো ঈদের আগে চাহিদা বাড়ার সু্যোগ নিয়ে বিক্রেতার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে কোরবানীর ঈদের আগে চট্টগ্রামে বেড়েছে মসলার দাম। গরম মসলার বাজার স্থিতিশীল থাকলেও কাঁচা আদা, পেঁয়াজ, রসুনের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ হারে।
মসলার দাম বাড়ার জন্য চট্টগ্রামের খুচরা দোকানীরা দুষছেন আড়তদারদের। তাদের অভিযোগ, আড়তদাররা বেশি দাম রাখছেন। এদিকে আমদানিকারকেরা বলছেন ঈদ-উল-আযহার সময় পেয়াঁজ, রসুন ও আদার ব্যবহার বেশি হওয়ায় চাহিদা থাকে বেশী, তাই দাম কিছুটা বাড়তির দিকে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় এবার গরম মসলার দাম রয়েছে স্থিতিশীল।
এখনও পুরোদমে কোরবানীর পশু কেনা শুরু হয়নি। ক্রেতাদের কেনা-কাটার তালিকায় মসলার জায়গাও শেষের দিকে। তখন দাম আরো বাড়ার আশংকা করছেন ক্রেতারা।
আর.এস/এম.ডি/এস.এম.বি/১২.৩০
বিভাগ: অর্থযোগ   দেখা হয়েছে ১১৩১ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :