ব্রেকিং নিউজ:
সাংবাদিক মারুফ চিনু আর নেই
নিউজ ডেস্ক    অক্টোবর ২৮, ২০১২, রবিবার,     ০৪:৫৫:৩৭

 

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও অধুনালুপ্ত দৈনিক আজকের কাগজ’ সহযোগী সম্পাদক মারুফ চিনু আর নেই। রোববার সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৫৬।
৮০'র দশকের স্বৈরাচার-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা, সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোস্তাক আহমেদ মারুফ ওরফে মারুফ চিনু দীর্ঘদিন ধরে হাড়ের ক্যান্সারে ভুগছিলেন । রোববার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ক্যান্সার ধরা পড়ার পর সিঙ্গাপুরে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন মারুফ চিনু। ঈদ উদযাপন করতে ঢাকায় আসার পর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
মারুফ চিনুর স্ত্রী লিলি ইসলাম সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। তাদের দুই মেয়ে রয়েছে।
কবি ও ছড়াকার মারুফ চিনুর জন্ম রংপুরে । ছাত্রজীবন থেকেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাসদ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, যে কমিটিতে সভাপতি ছিলেন ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না।
৮০’র দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় মারুফ চিনুর বেশ কিছু ছড়া জনপ্রিয়তা পায়। ‘দীপা-কাঞ্চন ডাক পাঠালো সব সাথীদের খবর দে, সারা বাংলা ঘেরাও করে দে শালাদের কবর দে...’ এর অন্যতম। এসময় প্রকাশ পায় তার ১টি ছড়া ও ১টি কবিতার বই। খবরের কাগজে লেখা তার রাজনৈতিক কলামগুলোও তাকে পরিচিতি এনে দিয়েছিল সাধারণের মাঝে।
স্বৈরাচারী সামরিক জান্তার পতনের পর রাজনীতির পাঠ চুকিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন মারুফ চিনু। সাপ্তাহিক প্রজন্ম, দৈনিক লাল সবুজে কাজ করার পর সাপ্তাহিক খবরের কাগজে যোগ দেন তিনি।
পরে অধুনালুপ্ত দৈনিক আজকের কাগজে সহযোগী সম্পাদক ছিলেন। এরপর তিনি ‘দৈনিক আমাদের সময়’এর নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
সাংবাদিকতা থেকে বিদায় নিয়ে এর পর শিক্ষকতায় যোগ দেন তিনি।মৃত্যুর আগে শেষ ক’টা বছর মারুফ চিনু কাটিয়েছেন শেখ বোরহানুদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
শেষ কর্মস্থল শেখ বোরহান উদ্দিন কলেজে তার জানাজা শেষে রোববার বিকালে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এম. এস/১৬.৪৩
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৪৫১ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :