ব্রেকিং নিউজ:
ভিন্ন আমেজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন
শামীম আল-আমিন    নভেম্বর ০৩, ২০১২, শনিবার,     ১১:০৯:০৪

 

মিছিল নেই, শ্লোগান নেই। অথচ সরগরম নির্বাচনের মাঠ। ঘুর্ণিঝড় স্যান্ডির প্রভাব কাটিয়ে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের শেষ মুহুর্তের প্রচারনা। দুটিই গণতান্ত্রিক দেশ হবার পরও, বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে কোন মিলই নেই যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের।
লম্বা পথ হেঁটে এসে এখন মার্কিন নির্বাচনের দুই প্রার্থীর যেন দম ফেলার সময় নেই। যে রাজ্যগুলোর ভোট প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারন করবে, সেসব জায়গায় এখন ছুটে বেড়াচ্ছেন বারাক ওবামা আর মিট রমনী।
প্রতি চার বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয় তার দিনক্ষণ একেবারেই কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই নির্ধারিত। নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার।
নির্বাচনের বাকি আর অল্প সময়। অথচ রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় নির্বাচনের কোন উত্তাপই টের পাওয়া যায় না এখানে। নেই বাংলাদেশের মতো পোস্টার, ব্যানার-ফেস্টুন কিংবা মুখরিত মিছিল।
নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহফুজুর রহমান এবং নিউইয়র্কের বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আবু তাহেরের সাথে কথা বলে জানা গেছে আমেরিকায় প্রার্থীদের পক্ষে সমর্থন দেয় বিভিন্ন সংগঠনও। বাংলাদেশে যেমন ভোটারদের আর্থিক সুবিধা দেয়ার অভিযোগ ওঠে, এখানকার পরিস্থিতি একেবারেই উল্টো।
নিউইর্য়ক প্রবাসী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মনজুর আহমদ জানিয়েছেন, এখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে বছরব্যাপী পাড়ি দিতে হয় লম্বা পথ। সবার আগে লড়তে হয় দলীয় মনোনয়ন পেতে। তারপর প্রচার-প্রচারণা আর প্রার্থীদের মুখোমুখি টেলিভিশন বিতর্ক।
জনগন এখানে সরাসরি ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন না করে বেছে নেয় তাদের প্রতিনিধি। সেই প্রতিনিধি বা ইলেকটরাল কলেজের মাধ্যমে নির্বাচিত হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সারাদেশে ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৫৩৮টি ইলেকটরাল কলেজের মধ্যে প্রেসিডেন্ট হতে দরকার হয় অন্তত ২৭০টি ভোট।
এস.এ.এ/এস.এম.বি/১০.৫০
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৫৬৭ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :