ব্রেকিং নিউজ:
যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর নীল নকশা রুখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক    নভেম্বর ০৮, ২০১২, বৃহস্পতিবার,     ১১:৩৬:০২

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে যারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চাইছে তাদের নীল নকশার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ভন্ডুল করতে ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড চালাচ্ছে। কিন্তু দেশের মানুষ সজাগ থাকলে তাদের এই অপতৎপরতা সফল হবে না। তাই আমি স্বাধীনতার শত্রুদের এই চলমান ধ্বংসলীলার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতি আহ্বান জানাই।”
বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল, সফল ও স্বাবলম্বী জাতির হিসেবে বিশ্বসভায় পরিচিত করতে নিজেদের আত্মনিবেদিত করতে শেখ হাসিনা প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের মাথা উঁচু রেখে দেশকে বিশ্ব মঞ্চে একটি মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই হচ্ছে বর্তমান সরকারে নীতি। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আমাদের জয়ী হতেই হবে, নইলে আমাদের স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে যাবে।”
দেশের সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশকে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানান। এজন্য উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দ করা অর্থ খরচের বেলায় যত্নবান হওয়ার কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনা প্রযুক্তিকে দিন বদলের প্রধান হাতিয়ার আখ্যা দিয়ে এর যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি অব্যহত রাখতে ও উন্নয়নের কাঙ্খিত সাফল্য অর্জনে ভূমিকা রাখতে প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানান। এভাবেই দেশের মেধাবী সন্তান প্রকৌশলীরা রাষ্ট্র ও দেশের জনগণকে তাদের প্রাপ্য প্রতিদান ফিরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করেন তিনি ।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উপর গুরুত্ব দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “কারো আশায় বসে না থেকে আমাদের নিজেদেরকেই টেকসই সবুজ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। দেশীয় এই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সরকার সর্বোত সহায়তার দেবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে তাঁর সরকার আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গত ৪ বছরে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে সরকার সাফল্যও পেয়েছে। এছাড়া প্রকৌশলীদের পেশাগত উন্নয়নেও তাঁর সরকার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।”
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার নির্বাচনী অঙ্গীকার মেনেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ করছে সরকার।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামানও বক্তৃতা করেন।

এম. এস./২০.২৫
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৫০০ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :