ব্রেকিং নিউজ:
প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার
নিউজ ডেস্ক    নভেম্বর ১২, ২০১২, সোমবার,     ০১:২৭:০০

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়ন বাড়ানোর পাশপাশি প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে সরকার। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের ফলে ২০১৫ সালের মধ্যে দেশে জনসংখ্যার উর্বরতার হার ‘প্রতিস্থাপন পর্যায়ে’ নেমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এজন্য সারাদেশে ১২ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে “পার্টনারস ইন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট” ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়ন অংশীদারি দেশের বোর্ড সভা’ (পিপিডি) সচিবালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন শেষে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পিপিডি দেশের সংখ্যা ১০টি থেকে বেড়ে ২৫টি হয়েছে। বিশ্বের ৫৭ শতাংশেরও বেশি মানুষ এই উন্নয়নশীল ২৫টি দেশে বাস করে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। হোটেল রূপসী বাংলায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, ২০০১ সালে মাতৃমুত্য হার ছিল ৩ শো ২২ জন। ২০১০ সালে এসে তা কমে ১৯৪ জনে দাড়িয়েছে।
১৯৬০ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত বাংলাদেশের জনসংখ্যা উচ্চ হারে বাড়লেও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের ফলে প্রজনন হার ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে বলে জানান তিনি। আশা করা হচ্ছে, ২০১৫ সাল নাগাদ জনসংখ্যার ঊর্বরতার হার ‘প্রতিস্থাপন পর্যায়ে’ নেমে আসবে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রত্যেক নারী যখন গড়ে ২ দশমিক ১টি শিশুর জন্ম দেবে- সেটিই হবে বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রতিস্থাপন পর্যায়। অর্থাৎ ওই সময়ের পর থেকে জন্ম নেয়া প্রতি দুটি শিশু জনসংখ্যায় তাদের বাবা-মাকে প্রতিস্থাপন করবে।
তত্ত্বীয়ভাবে ‘প্রতিস্থাপন পর্যায়ে’ নেমে এলে একটি প্রজন্মের জনসংখ্যা তাদের আগের প্রজন্মের চেয়ে কমে আসে।
পিপিডি সচিবালয়ের ভিত্তিফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ।
“এই বিশাল যুব শ্রেণী বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করবে। মোট কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং যুব নির্ভরশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম পূর্ণবয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আমাদের দেশ উপকৃত হবে।”
বাংলাদেশের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মসূচি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সফল কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

এ.আর/১১৫৮

বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৫৭০ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :