ব্রেকিং নিউজ:
ইউপি তথ্যসেবা কেন্দ্রের উপর মানুষের নির্ভরতা বেড়েছে
নিউজ ডেস্ক    নভেম্বর ১২, ২০১২, সোমবার,     ১২:৪৫:১৬

 

ইউনিয়ন ভিত্তিক তথ্যসেবা কেন্দ্রের দুই বছর পূর্তি হয়েছে। সারাদেশে গ্রাম পর্যায়ে তথ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই সেবাকেন্দ্র চালু করা হয়েছিল।
খুলনা জেলার নয়টি উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নের তথ্যসেবা কেন্দ্র থেকে সেবা পাচ্ছে সাধারন মানুষ। ইন্টারনেটে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল দেখা, আবেদনপত্র তৈরি, এমনকি প্রবাসী স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তথ্য কেন্দ্রগুলোতে ভিড় লেগেই থাকে।
খুলনার রুপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য কেন্দ্রে নিয়মিত সেবা নিতে আসেন স্হানীয় বাসিন্দা মৃনাল সরকার। সন্তানের জম্ম নিবন্ধন করা থেকে শুরু করে পরিবারের সবার জন্যই প্রয়োজনীয় কাজগুলো সহজে সেরে নিতে পারে এখান থেকে।
মৃনাল সরকারের মতো এ এলাকার অনেক মানুষই জরুরী কাজগুলো তথ্যসেবা কেন্দ্রের সাহায্যে সহজে সেরে নেন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন আসেন ইন্টারনেট সেবা নিতে। এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে সেবাদানকারী প্রদীপ সরকার। তার সাথে কথা বলে জানা গেল, সপ্তাহের সাতদিনই অল্প খরচে তথ্য সেবা দিতে পেরে তারাও সন্তুষ্ট।
এবিষয়ে ঘাটভোগ ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, জনগনকে যথেষ্ট সেবা দিতে আরো উপকরণের প্রয়োজন। এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে জরুরী ‘ই-সেবা’ আরো ছড়িয়ে পড়লে প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষও প্রযুক্তির সুফল পাবেন বলে মনে করেন সেবা গ্রহীতারা।
সিলেটেও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা এখন আর কোন বিশেষ শ্রেণীর মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সদর উপজেলার টুকের বাজার ইউনিয়নে এমনই চিত্র দেখা গেছে। দিন দিন এ এলাকার মানুষ নির্ভরশীল হচ্ছেন ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রের উপর। দু’বছর আগে ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করে বিপাকে পড়েছিলেন জনপ্রতিনিধিরা। সাধারন মানুষের কাছে সম্পূর্ণ নতুন এ ধারনাটি জনপ্রিয় করতে কম পরিশ্রম করতে হয়নি তাঁদের। দিনে দিনে মানুষ যখন সুফল পেতে শুরু করলো তখন এ তথ্যসেবা কেন্দ্রের উপর তাদের নির্ভরশীলতা লক্ষ্য করা গেছে।
পাসপোর্টের জন্য আবেদন, জমির পরচা, কম্পিউটারাইজড্ জন্ম নিবন্ধন ও নাগরিকত্ব সনদ, ইত্যাদি জরুরী প্রয়োজনে এখন দিনভর মানুষের ভীড় লেগে থাকে টুকের বাজার ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রে। এছাড়াও কম্পিউটার কম্পোজ, ইমেইল একাউন্ট খোলা, অনলাইনে চাকুরীর খোঁজ নেয়াসহ কম্পিউটার ও অনলাইনভিত্তিক নানান সেবা দেয়া হয় এ তথ্য সেবা কেন্দ্রে।
দু’বছরের মাথায় তথ্যসেবা কেন্দ্রের উপর মানুষের নির্ভরশীলতা বেড়েছে বহুগুন। কিন্তু চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সরঞ্জামাদি না বাড়ায় কাঙ্খিত সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা।
সরকারি অফিস-আদালতের অধিকাংশ সেবা অনলাইনভিত্তিক হয়ে যাওয়ায় গ্রামের মানুষও নিজেদের প্রয়োজনেই তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়ছে। আর এ ক্ষেত্রে ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর অপরিহার্যতা বেড়েই চলেছে।
এ.এস/আই.এম/এস.এম.বি/১২.৩০
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৮৬৪ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :