ব্রেকিং নিউজ:
উপকূলের প্রহরী কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়ন দরকার
রাফে সাদনান আদেল    নভেম্বর ১৪, ২০১২, বুধবার,     ১১:২০:২৬

 

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অপরাধ ঠেকাতে ১৯৯৫ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি থেকে কাজ করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। নৌবাহিনীর দু’টি জাহাজ দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সংস্থাটি গত ১৭ বছরে উপকূলীয় অঞ্চলের চোরাচালান,ডাকাতি, মাদক থেকে শুরু করে মানব পাচার রুখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের নাফ নদীর কোলে টেকনাফ। বরাবরই অপরাধ প্রবণ এলাকা বলে চিহ্নিত এই এলাকা। ইয়াবা, ফেনসিডিল আর বিদেশী মদসহ বিভিন্ন মাদক আনা-নেয়ার অবৈধ রুট এটি। এমনকি মানব পাচারেও অপরাধীরা সক্রিয় থাকে এই অঞ্চলে। তার উপর আছে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঝক্কি। তাই বছরজুড়েই এই অঞ্চলে কোস্টগার্ডের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় থাকে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের টেকনাফ সীমান্তের স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট বদরুদ্দোজা। তিনি বলেন, লোকবল আর যন্ত্রাদি বাড়লে আরো কার্যকর হবে কোস্ট গার্ড।
আর চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিনই ভিড়ছে দেশ-দেশান্তরের ছোট বড় হাজারো পণ্যবাহী জাহাজ। ছোট জাহাজগুলো তীরে ভীড়লেও বড় জাহাজগুলো নোঙর করে তীর থেকে বেশ দূরেই। ছোট বড় সব জাহাজ আর তার পণ্যের নিরাপত্তাসহ সমুদ্রের বুকের এই অঞ্চলের চোরাচালান, মানব পাচার; এমন হাজারো অপরাধ ঠোকাতে রাতদিন কাজ করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। যে কোনো জাহাজের সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলেই শুরু হয় কঠোর নজরদারি।
অপরাধ ঠেকাতে সমুদ্রে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি থাকে গোয়েন্দা টহল আর ঝটিকা অভিযানও পরিচালনা করতে হয় কোস্টগার্ড সদস্যদের।
লোকবল আর যুগোপযোগী যন্ত্রাদি পেলে আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে কোস্টগার্ড। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরও এমন মতামত দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম ছাড়াও কোস্ট গার্ডের নজরদারি অব্যাহত থাকে ওয়েস্ট জোন-বাগেরহাট, সাউথ জোন-ভোলা এবং ঢাকার সাব-জোনেও।
আর.এস.এ/এস.এম.বি/১০.৩০
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৭১১ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :