ব্রেকিং নিউজ:
গার্মেন্টসে পুড়ে যাওয়া ১১১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার
নিউজ ডেস্ক    নভেম্বর ২৫, ২০১২, রবিবার,     ০৩:২৪:১৯

 

সাভারের আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তোবা গ্রুপের পোশাক কারখানা তাজরীন গার্মেন্টসে আগুনে এ পর্যন্ত ১১১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তোবা গ্রুপের তাজরিন ফ্যাশনে আগুন লাগে। বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে কারখানায় আগুন লাগে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।
কারখানার অনেক কর্মীই এখনো নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে রাত দেখেই স্বজনরা ভীড় করে সেখানে। এখনো উদ্ধার কাজ চলছে।
প্রথমে নিচতলার সূতার গোডাউনে আগুন লাগার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে যায় উপরের তলায়। আতঙ্কে শ্রমিকরা ওপরের বিভিন্ন তলায় আশ্রয় নেয়। ওপরেও আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকলে অনেকে প্রাণ বাঁচাতে লাফিয়ে আহত হন। আহতদের কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে এদের মধ্যে অনেকেই মারা যায়।
আগুনের ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় তিন শতাধিক কর্মী। অগ্নিদগ্ধ নারী শ্রমিকদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
অগ্নিকান্ডের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিজিএমইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। সুতা ও তৈরি পোশাকসহ আগুনে পুড়ে কয়েকশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
দমকল বাহিনীর মহাপরিচালক আবু নাঈম মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ জানান, সুতা ও কাপড়ে আগুন ধরে যাওয়ার কারণে পুরোপুরি আগুন নেভাতে অনেক লাগে। দমকল কর্মকর্তারা জানান, সাভার, ইপিজেড, ধামরাই ও টঙ্গী কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ভিমা গাড়িসহ আরও চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। অগ্নিনির্বাপণ বাহিনীর ১০টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত পৌনে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রচণ্ড ধোঁয়া ও পানির সংকটের কারণে দমকল বাহিনীর উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়।
এদিকে দমকল বাহিনীর পরিচালক মেজর মাহবুব জানান, উদ্ধারকৃত মৃতদেহগুলো নিশ্চিন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে আত্মীয়স্বজনরা এসে লাশ শনাক্ত করবেন বলে জানান তিনি। ভবনের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় অনুসন্ধান চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দমকল বাহিনী।
এস.এম.বি/০৯.১৫
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৫৯৬ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :