ব্রেকিং নিউজ:
বাংলাদেশের লুঙ্গির চাহিদা বাড়ছে বিশ্ববাজারে
নিজস্ব প্রতিবেদক    জুলাই ২৬, ২০১২, বৃহস্পতিবার,     ০৫:৫৬:২৭

 

লুঙ্গি এখন শুধু বাংঙ্গালী পুরুষের পোষাকই নয়, গুন-মান এবং ভালো ডিজাইনের কারনে বাংলাদেশের লুঙ্গির দিকে এখন নজর বিদেশীদেরও। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের লুঙ্গির মান সবচেয়ে ভালো। রপ্তানীতেও অনেক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। সরকারি সহযোগিতা পেলে তৈরি পোষাকের পর ঐতিহ্যবাহী পোষাক লুঙ্গি দিয়েই বিশ্ববাজারে নতুন জায়গা করে নেয়া যাবে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা
যুগ যুগ ধরেই বাঙালি পুরুষদের নিত্যদিনের পোশাক লুঙ্গি। ঢিলেঢালা এবং আরামদায়ক হওয়ায় দেশের বাইরে লুঙ্গির চাহিদা বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন বর্তমানে লুঙ্গির দেশীয় চাহিদা বার্ষিক প্রায় সোয়া দুই কোটি পিস। তাদের দাবী উন্নত সুতা, পাকা রং এবং নজরকাড়া ডিজাইনের কারনে লুঙ্গির কদর শুধু বাংলাদেশেই নয় বিদেশেও বাড়ছে।
এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ভালো মানের লুঙ্গি তৈরি হয় বাংলাদেশে। এক সময় লুঙ্গিকে ফুটপাতের পন্য হিসেবে তাচ্ছিল্য করা হলেও এখন দিন বদলে গেছে। লুঙ্গি এখন পরিচিতি পাচ্ছে নিজস্ব ব্রান্ডে। ফলে বাংলাদেশের লুঙ্গির সুনাম এখন বিদেশেও বলে জানিয়েছেন এটি এম লুঙ্গির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীলিপ কুমার সাহা ।
দেশে প্রথম লুঙ্গির ব্র্যান্ডিং শুরু করে হেলাল এন্ড ব্রাদার্স। ট্রেডমার্ক লাইসেন্স নিয়ে ১৯৯৩ সালে স্ট্যান্ডার্ড এবং আমানত শাহ লুঙ্গি ব্র্যান্ডিং শুরু করে। বলা যায় এর পরই দেশে লুঙ্গি শিল্পের ব্র্যন্ডিং শুরু। পরে এটি এম , অনুসন্ধান, ফজরআলীসহ আরো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্টান শুরু করে লুঙ্গির ব্র্যান্ডিং প্রথা। তারপরই শুরু হয় লুঙ্গি রপ্তানী। তবে শুরুটা প্রবাসী বাংলাদেশীরা করলেও এখন লুঙ্গি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্টানগুলো নিজেই রপ্তানী করছে বলে জানালেন অনুসন্ধান লুঙ্গির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজী ইসমাঈল হোসেন।
ব্যবসায়ীরা বলেছেন ফিলিপাইন, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল, সিঙ্গাপুর ও মধ্যপ্রাচ্যে বহু মানুষের নিত্যদিনের পোশাক লুঙ্গি। তবে সেসব দেশের লুঙ্গি মান, ধরন ও নকশা বাংলাদেশি লুঙ্গির চেয়ে ভিন্ন। তার পরও বাজার ধরতে ভিনদেশি লুঙ্গি তৈরি করেই রপ্তানি করা হচ্ছে।

এস.এম.বি/০৬.০০


বিভাগ: অর্থযোগ   দেখা হয়েছে ২৫২৪ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :