ব্রেকিং নিউজ:
ওষুধ রপ্তানিতে বছরে আয় হচ্ছে পাঁচ কোটি ডলার
নিউজ ডেস্ক    আগষ্ট ০৭, ২০১২, মঙ্গলবার,     ০৩:৫২:১৪

 

চাহিদার ৯৫ ভাগ ওষুধই এখন উৎপাদন হচ্ছে দেশে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে এখন ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বিশ্ব বাজারে। এ শিল্প থেকে বছরে আয় হচ্ছে প্রায় পাঁচ কোটি মার্কিন ডলার।
স্বাধীনতার পর ৭০ ভাগ ওষুধই আমদানি করা হতো। এখন উন্নত প্রযুক্তির সব কারখানায় ওষুধ উৎপাদিত হচ্ছে তাই উৎপাদন অনেক বেড়ে গেছে।
পঞ্চাশের দশকে শুরু হওয়া এই শিল্প এখন বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানিমুখী শিল্প। বিশ্বের ৯০টি দেশে প্রায় এক হাজার রকমের ওষুধ রপ্তানি করছে বাংলাদেশ।
এ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা আর বিশ্ববাজারের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে ওষুধ রপ্তানিতে এশিয়ার শীর্ষে উঠে আসবে বাংলাদেশ।
দেশের অন্যতম ওষুধ কারখানা ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের জেনারেল ম্যানেজার মাহবুব হোসেন একাত্তরকে বলেন, “এ শিল্পে আমাদের দেশে প্রযুক্তি অনেক এগিয়েছে, আর ফার্মাসিস্টরাও অনেক দক্ষ। সত্তরের দশকে যখন শুরু হয় তখন এতটা উন্নত ছিলনা। বেশির ভাগ ওষুধই ছিল আমদানি নির্ভর। এখন শুধু ক্যান্সারের মত রোগের কিছু ওষুধ আমদানি করা হয়”।
ওষুধ রপ্তানিতে এশিয়ায় আমাদের প্রধান প্রতিদন্দ্বী ভারত। সরকারের সহযোগিতা পেলে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে বেশি সময় লাগবেনা যোগ করেন তিনি।
তবে সফলতার মাঝেও কিছুটা সংকটের কথা জানিয়েছেন ওষুধ শিল্প সমিতির নেতারা।
ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “ওষুধ শিল্পে কিছু সমস্যা আছে সেটি কাটিয়ে উঠতে পারলে এ শিল্প অনেক এগিয়ে যাবে। রপ্তানি প্রক্রিয়ায় অনেক বেশি সময় লেগে যায়”।
তবে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব সংকট কাটানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
ওষুধ রপ্তানিতে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৪ কোটি ১০ লাখ ডলার আয় করে বাংলাদেশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে এ খাতে আয় বেড়ে ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলারে দাঁড়ায়। ২০১১-১২ অর্থবছরে ওষুধ রপ্তানি করে ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার আয় করে বাংলাদেশ।

এস.এন/এ.আর/১৫৪৬
বিভাগ: দেশযোগ   দেখা হয়েছে ১১৭৯ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :