কেবল শরীরকে ভালো রাখলে চলে না; মনটাও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ফলে শরীরের সঙ্গে সঙ্গে নিতে হয় মনেরও যত্ন। আর একই সঙ্গে শরীর ও মনের যত্ন নিতে পারে ইয়োগা। দিনে দিনে যোগ ব্যয়ামের অনবদ্য এই কৌশলটি মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে, হয়েছে জনপ্রিয়।
ভারতীয় উপমহাদেশে এর যাত্রা শুরু হলেও, পাশ্চাত্য দুনিয়ায় এখন ইয়োগা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। মানুষ নিজেদের জীবনের হতাশা, বিষন্নতা এবং প্রতিদিনের জীবনযাপনের চাপ থেকে মুক্ত থাকার জন্য ইয়োগার উপর ভরসা করছে।
আর এই ইয়োগাকে মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দেয়া, এর কৌশল ও উপকারিতা তুলে ধরার জন্য বিশ্বজুড়ে কাজ করছেন অনেকে। তাদের মধ্যে উজ্জ্বল একজন আশরাফুন নাহার লিউজা।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাসকারী লিউজা একাধারে ইয়োগা ও ফিটনেস এক্সপার্ট। আন্তর্জাতিক অঙ্গণেও নিজেকে তুলে ধরেছেন চমৎকার মহিমায়। বিশেষ করে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইয়োগা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন, প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এখন তিনি অনেকের জন্য আদর্শ। সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন নিজের মেধা ও মনন।
স্বাস্থ্য সচেতন লিউজা অনেক আগে থেকেই শারীরিক বিদ্যার নানা বিষয় সম্পর্কে পড়াশোনা করেন। শরীরের সঙ্গে মনের বিষয়টা যে গুরুত্বপূর্ণ, সেটাও উঠে আসে তার পড়াশোনায়। একসময় নিজে প্রশিক্ষণ নেন, পরবর্তীকালে হয়ে ওঠেন একজন দক্ষ প্রশিক্ষক।
ইয়োগা চর্চা ও প্রশিক্ষণের জন্য গড়ে তোলেন লিউজা’স ইয়োগা স্টুডিও। লিউজার শ্লোগান ‘সুস্থ্য জীবনের জন্য ইয়োগা’। তিনি মনে করেন জীবনকে সুস্থ্য রাখতে হলে সবারই উচিত নিজেকে সময় দেয়া। ইয়োগার মাধ্যমেই নিজেকে কার্যকর উপায়ে সময় দেয়া সম্ভব বলে তার মত।
আশরাফুন নাহার লিউজা ইয়োগা ও ফিটনেস নিয়ে আরও অনেক কাজ করতে চান। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের প্রতিষ্ঠানকে করতে চান আরও প্রতিষ্ঠিত। এখন সে লক্ষ্যেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রতি বছরের মতো এবারো ২১ জুন পালিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ইয়োগা দিবস। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ঠিক হয়েছে ‘ইয়োগা ফর হিউম্যানিটি’ বা ‘মানবতার জন্য ইয়োগা’।
আশরাফুন নাহার লিউজা বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য খুবই প্রাসঙ্গিক। মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইয়োগার গুরুত্ব অনেক। ফলে বিষয়টি নিয়ে আরও কাজ করার মধ্য দিয়ে মানবতার অনেক কল্যাণ সাধন করা সম্ভব।
একাত্তর/এআর