পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে বাধ্য হয়েই গাড়ি ডাম্পিং করার মতো অপরাধ করার পরও জরিমানা আদায় করেই ছেড়ে দিচ্ছেন বিআরটি'র ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী হাকিমরা।
তারা নিজেরাই স্বীকার করে নিয়েছেন, বড় ধরণের অপরাধে এমন লঘু দণ্ডের কারণে পরিবহন খাতে নৈরাজ্য কমছে না। তাই গাড়ি ডাম্পিংয়ের জন্য নতুন জায়গা দরকার।
অছিম পরিহনের ব্যানারে চলছে ঢাকা মেট্রোর একটি বাস। রুট পারমিট আছে গাবতলী থেকে টেকনিক্যাল ও ইসিবি চত্ত্বর হয়ে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত। বিআরটিএ'র ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে জমা দেয়া কাগজে দেখা যায় ২০২২ সালের ২৮ জুলাই পর্যন্ত এই গাড়ির রুট পারমিট আছে।
কিন্তু, সার্ভারে গিয়ে নির্বাহী হাকিম দেখেন গেলো পাঁচ জানুয়ারিতে রুটপার্মিট শেষ হয়েছে। এতোদিন জাল সনদ দিয়েই চলছিল। গাড়িটি জব্দ করে ডাম্পিং এ পাঠায় বিআরটিএ।
অথচ একই অপরাধে এই পরিবহনের আরেকটি গাড়িকে শুধু জরিমানা করেই ছেড়ে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিমরা।
বিআরটিএর নির্বাহী হাকিম জানান ডাম্পিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়েই গুরু পাপে লঘু দণ্ড দিতে হচ্ছে। এসব বাসের বিরুদ্ধে রয়েছে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগও।
নির্বাহী হাকিম জানান, বাসভাড়া নিয়ে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স।
তেলের দাম পাঁচ টাকা কমানোর পর গণপরিহনে কিলোমিটার প্রতি ৫ পয়সা হারে ভাড়া কমানো হয়। পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই মাঠে নেমেছে বিআরটিএ।
একাত্তর/এআর