পোশাক খাতের সাথে সাথে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি খাতও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। অর্থ বছরের ছয় মাসে এখাতে রপ্তানি আয় ৫৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
আর প্রবৃদ্ধি ২৬ শতাংশেরও বেশি। রপ্তানিকারকরা বলছেন বিশ্ববাজারে চাহিদা বেড়েছে। তাই কম দামে পণ্য আমদানিতে ক্রেতাও বেড়েছে।
কর্মপরিবেশ এবং চামড়া প্রক্রিয়াজাতকণে পরিবেশ রক্ষা বিশ্বমানের নয় এমন অভিযোগ এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশ।
এজন্য নানা সময়ে বাংলাদেশি চামড়া ও পণ্য কেনা কমিয়েছে ইউরোপীয় ক্রেতারা। এরপর চীনের বাজারেও চামড়া রপ্তানি কমায় অবিক্রিত থেকে যায় অনেক মজুদ।
রপ্তানিকারকরা বলছেন, করোনা প্রকোপ কমায় চীন আবারও বাংলাদেশ থেকে চামড়া কেনা বাড়িয়েছে, তবে দাম বাড়েনি।
জুতা ও চামড়াজাতপণ্য রপ্তানি চাহিদা গত ছয় মাসে অনেক বেড়েছে। চামড়ার মজুদ আর পণ্য উৎপাদন সক্ষমতা ভালো থাকায় সময় মতো শিপমেন্ট বাড়াতে তেমন একটা সমস্যা হয়নি।
ইপিবির হিসেবে অর্থ বছরের ছয় মাসে চামড়া খাতে রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও সাড়ে ১১ শতাংশ বেশি। তবে অর্থনীতিবীদের মতে এই চাহিদা টেকসই করাটাই চ্যালেঞ্জ।
গরু-মহিষ এবং ছাগল-ভেড়ার মিলিয়ে বছরে দুই কোটি পিস চামড়া উৎপাদন করে বাংলাদেশ। এর ৭০ শতাংশই ব্যবহার হয় রপ্তানি খাতে।
চামড়া শিল্পের কাঁচামালের সহজলভ্যতাই বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা অটুট রেখেছে। যা আগামীতে আরো বাড়ার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একাত্তর/আরবিএস