ঈদের আগে অস্বাভাবিক বেড়েছে পোলাও চালের দাম

ঈদকে সামনে রেখে এবার অস্বাভাবিক বেড়েছে পোলাও চালের দাম। খোলা পোলাও চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা আর প্যাকেটজাত চাল ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। 

তবে মসলার বাজার থেকে শুরু করে অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজারের ছিলো স্বস্তি। অন্যদিকে রডের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বেড়েছে ছুরি-চাকু-বটির দাম। 

ঈদ মানেই উৎসব আর সেই উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ হরেক রকম খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন। তবে কোরবানির ঈদে পোলাও-মাংস খেতে গুণতে হচ্ছে বাড়তি খরচ। 

পোলাও চালের দাম স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি। খোলা পোলাও চালের দাম ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। প্যাকেটজাত পোলাও এক কেজির দাম ১৪০ টাকা। 

বিক্রেতারা বলছেন, তারা বাড়তি দামে চাল কিনেছেন, বাধ্য হয়েই বাড়তি দামে বিক্রি করছেন। তবে ক্রেতারা দেখছেন সব সময়ের চিত্র হিসাবেই। এবার কোপ তাই পোলাও চালের ওপর।

এদিকে, মসলার বাজার স্বস্তিদায়ক। গত বছরের তুলনায় খানিকটা কমেছে। আর, পেঁয়াজ রসুন ও আদারও দাম খানিকটা কমেছে।

শুক্রবার (৮ জুলাই) সকালে সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা। পেঁয়াজের মতো দাম অপরিবর্তিত রয়েছে আলুর। 

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিক্রেতারা গত সপ্তাহের মতো সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে গাজর। এক কেজি গাজর বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা।

তবে বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। ঈদ উপলক্ষে অনেকে ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে গেছেন। এ কারণে সবজির চাহিদাও কম। পণ্য কম আসার পরও দাম বাড়েনি। 

সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দামেও পরিবর্তন আসেনি। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ইলিশেরও। এক কেজি ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকা।

তবে, বাড়তি টাকা গুণতে হবে কোরবানির পশু জবাইসহ মাংস কাটাকাটিতে। কারণ রডের দাম রেকর্ড ছুঁয়েছে তাই বেড়েছে ছুরি, চাকু, দা-বটি চাপাতিসহ সবধরনের সরঞ্জামের।