কাল নতুন বাজেট, কঠিন সময়ে বেড়েছে প্রত্যাশার চাপও

আয়ে ঘাটতি, আছে ব্যয়ের লম্বা তালিকা। আলাদা নজর দিতে হবে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থানসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে। 

আছে করোনা মহামারি মোকাবেলায় সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়াসহ ব্যবসায়ীদের নানা প্রত্যাশার চাপ। এমনই এক কঠিন সময়ে ৩ জুন সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

দেশের অর্থনীতির আকার বাড়ছে। বাড়ছে বাজেটের আকারও। চলতি বছরের চেয়ে ৩৩ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে নতুন বাজেটের আকার ধরা হচ্ছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। 

এতে প্রথমবারের মতো বাজেট ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকা ছাড়াবে। তবে এনিয়ে চিন্তিত নন অর্থনীতিবিদরা। বরং করোনায় আয় কমা ও কর্মহীন মানুষের প্রতি মনযোগী তারা। 

করোনাকালেও মোট বাজেটের ৬ শতাংশের কম যাচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে। এ খাতে বরাদ্দ ৩২ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। টিকা কেনায় থাকছে বিশেষ বরাদ্দ। 

করোনায় নতুন করে আড়াই কোটি মানুষ গরিব হলেও, আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে শুধু সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গুরুত্ব পাচ্ছে কৃষি, অবকাঠামো ও পরিবহন।

আগামী বাজেটে রাষ্ট্রের পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে তিন লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকারও বেশি। আর মোট আয়ের লক্ষ্য তিন লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। 

এর মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা না বাড়িয়ে এবারও রাজস্ব বোর্ডের আয় তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ধরা হচ্ছে। তবে সেটি নিয়েও শংকিত সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা। 

আয়-ব্যয়ের ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নেবে সরকার। যার মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকেই নেবে প্রায় সাড়ে ৭৬ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা ধরা হয়েছে বৈদেশিক ঋণ।


একাত্তর/আরএইচ