আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশে উৎপাদিত স্যানিটারি ন্যাপকিন পণ্যে সব ধরনের মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সেইসাথে স্যানিটারি ন্যাপকিন উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান ভ্যাট সুবিধা আরও দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুন) ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী এসব প্রস্তাব দিয়েছেন।
নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। কিন্তু অধিক দামের কারণে এটিকে বিলাসদ্রব্য হিসেবে গণ্য করা হয়। এখনও দেশের অধিকাংশ নারী স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনতে সক্ষম নন।
উৎপাদকদের মতে, স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরির জন্য কাঁচামাল আমদানির সময় তাদের বিভিন্ন ধরনেরর শুল্ক, যেমন কাস্টমস শুল্ক (সিডি), নিয়ন্ত্রক শুল্ক (আরডি), পরিপূরক শুল্ক (এসডি) ও সরকারের আরোপিত অগ্রীম আয়কর (এআইটি) ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দিতে হয়, যার ফলে উৎপাদন ব্যায় অনেক বেড়ে যায়।
এসব পণ্য নিম্ন আয়ের নারীদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনার লক্ষ্যে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও কাঁচামালের আমদানি শুল্ক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২০-২১ সালের বাজেটে স্যানিটারি ন্যাপকিন শিল্পের একটি কাঁচামাল টেক্সটাইল ব্যাক শিট অথবা নন-ওভেন এয়ার থ্রো বোন্ডেন (এডিল) আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়।
একাত্তর/এসজে