নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসছে সাত লাখ ৬১ হাজার কোটির বাজেট

নির্বাচনে বছরের মূল্যস্ফীতির চাপ; সাথে আইএমএফের সংস্কার প্রস্তাব। এমন সব চ্যালেঞ্জ নিয়েই বৃহস্পতিবার আসছে ৭ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকারও বেশি অংকের বাজেট প্রস্তাব। 

এবার বাজেটে ঘাটতি ২ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানালেন, কঠিন এ সময়ে বাজেটে নতুনত্ব দেখানোর সুযোগ কম, তবে বন্টন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। 

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের তিন মেয়াদের শেষ বাজেট এই সংসদে পেশ হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতিও শেষ। 

সংসদ অধিবেশনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করার সময় উপস্থিত থাকবেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 

দেড় দশকের উন্নয়নের পর, স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রগতি শিরোনামে দেয়া হবে এই বাজেট। যেখানে জনগনের জীবনযাত্রার মান ধরে রেখে, খরচের লাগাম টেনে ধরাই হবে মূল লক্ষ্য।

জানা গেছে, বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হতে যাচ্ছে, ‘উন্নয়নের দেড় দশক: স্মার্ট বাংলাদেশের অভিমুখে’। বাজেট বক্তৃতায় ‘স্মার্ট বাংলাদেশের’ বিষয়ে রূপরেখাও তুলে ধরা হবে।

বাজেটের আকার ধরা হচ্ছে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা বর্তমান বাজেটের চেয়ে ১২.৩৪% বেশি। বাজেট ঘাটতির পরিমান ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ কোটি। 

যা প্রাক্কলিত জিডিপির ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ। বর্তমান অর্থবছরে এটি ছিল জিডিপির ১৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। 

এবার নির্বাচনী বছর হওয়ায় এই বিশাল ব্যয় মেটাতে আয় ধরা আছে প্রায় পাঁচ লাখ কোটি টাকা। করমুক্ত আয় সীমায় পরিবর্তন আসছে না। 

সামগ্রিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে এনবিআরকে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্য দেয়া হতে পারে; যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৬০ হাজার কোটি টাকা বেশি।

তবে, পদে পদে কর গুণতে হবে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষদের। অন্যদিকে বাজেট ঘাটতি মেটাতে এবারও ব্যাংক খাতেই ভরসা রেখেছেন অর্থমন্ত্রী।

আসছে বাজেটে, সার্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর ঘোষণা আসতে পারে, কৃষি, খাদ্য ও বিদ্যুৎ খাতে বাড়তে ভতুর্কি বাড়বে।

অপরদিকে, আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন করেছে; যার মধ্যে ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা স্থানীয় উৎস থেকে আসবে।


একাত্তর/এআর