দাম বাড়ছে, দাম কমছে

২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিক বাজেটে বিভিন্ন ধরনের পণ্যে শুল্ক কর এবং ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আবার কিছু পণ্যে বাড়ানো হয়েছে শুল্ক ও কর।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল। এসময় সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিত ছিলেন। ।

অর্থমন্ত্রী ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার ব্যয় প্রস্তাব করেছেন, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১ লাখ ১ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা বেশি। 

দাম কমতে পারে এমন পণ্যের মধ্যে রয়েছে- মাংস ও মাংসজাত, দেশীয় বৈদ্যুতিক এলইডি বাল্ব ও সুইস-সকেট, মিষ্টি জাতীয় পণ্য, সফটওয়্যার, ফ্রিজ-রেফ্রিজারেটর, বিলাসবহুল পণ্য, অভিজাত বিদেশি পোশাক এবং ই-কমার্সের ডেলিভারি চার্জ। 

আর দাম বাড়তে পারে এমন পণ্যের মধ্যে রয়েছে-  স্মার্টফোন, টিস্যু, ন্যাপকিন, প্লাস্টিকের টেবিলওয়্যার, কিচেনওয়্যার, সব ধরনের সিগারেট, বাইসাইকেল, সফটওয়্যার আমদানি। 

প্রস্তাবিত বাজেটে অনুদান ব্যতীত, সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ২০ শতাংশের সমান। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয় ২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৭ টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ১০ শতাংশ।

অনুদানসহ আগামী অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা।

ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। বিপরীতে ২৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে। তাতে নিট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

এছাড়া বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ধরা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বৈদেশিক অনুদান ধরা হয় ৩ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা।

কর বাবদ যে রাজস্ব আসবে তার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। আর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত কর ২০ হাজার কোটি টাকা।


একাত্তর/এআর