প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে সাত শতাংশ ধরে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ বাজেটে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশের কাছাকাছি থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সার্বিকভাবে, উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ ও উৎপাদশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এবং সুসংহত অভ্যন্তরীণ চাহিদার কল্যাণে পূর্বের ধারাবাহিকতায় আগামী অর্থবছরে আমরা উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসব ও সাত দশমিক পাঁচ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারব বলে আশা করছি।
তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা ক্রমান্বয়ে কৃচ্ছ্রসাধন নীতি থেকে বের হয়ে এসে মেগাপ্রকল্পসহ প্রবৃদ্ধি সঞ্চারক চলমান ও নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করব। এ উদ্দেশ্যে আগামী অর্থবছরের বাজেটে সরকারি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করে জিডিপির ছয় দশমিক তিন শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
বাজেট বক্তব্যে মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি, খাদ্যপণ্য ও সারের মূল্য কমে আসা, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় এবং খাদ্য সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য সরকারি উদ্যোগের প্রভাবে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত থাকবে এবং বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশের কাছাকাছি দাঁড়াবে বলে আশা করি।
আরও পড়ুন: বাড়ছে বাসমতি চালের দাম
বিগত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশে বেঁধে রাখার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। পরে তা সংশোধন করে ছয় শতাংশ করা হয়। তবে সেই লক্ষ্যও পূরণ করা যায়নি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে ১০ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে আট দশমিক ৮৪ শতাংশে।
একাত্তর/এসজে