কাঁচামাল আমদানি ছাড়েও বাড়লো ক্যান্সার ওষুধের দাম

গেলো দুই মাসে সব রকম ওষুধের দাম বেড়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ক্যান্সার আক্রান্তদের জীবন বাঁচানোর অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কেমো থেরাপীর দাম। দেশে উৎপাদিত এসব ওষুধের দাম বেড়েছে ২০ শতাংশ পর্যন্ত। অথচ ক্যান্সারের ওষুধের বেলায় সব ধরনের কর মওকুফ ও রেয়াতের সুযোগ করা আছে।

সরেজমিন, দুই মাস আগেও যে কেমোথেরাপির দাম ছিলো আট হাজার ৯০০ টাকা; একবারেই সেটির দাম বাড়ানো হয়েছে আড়াই হাজার টাকা। 


সরেজমিন, বীকন ফার্মার জেলপ্যাক নামের ক্যান্সারের কেমোথেরাপির ওষুধ দাম ১১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যদিও দুই মাস আগেও এটির দাম ছিলো ৯ হাজার ৯০০ টাকা। 

আর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ক্যান্সারের কেমোথেরাপির ওষুধ অনটাক্সেল বিক্রি হচ্ছে ৯ হাজার টাকায়। অথচ দুই মাস আগে এটির দাম ছিল সাত হাজার ৫০০ টাকা। 


ওষুধ ক্রেতা ও বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কেমোথেরাপিসহ ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত মুখে খাওয়া ও ইনজেকশনের প্রায় সব ওষুধের দামই বাড়ানো হয়েছে। তার মধ্যে দেশে এসব ওষুধ প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বীকন ফার্মা সবার শীর্ষে। এরপরই আছে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই এলসি সঙ্কট, কাচামালের অভাবসহ নানা অজুহাতে দাম বাড়িয়েছে। 

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর মো. নুরুল আলাম বলেন, গেলো কয়েক মাসে সাধারণ রোগের বিভিন্ন ওষুধেরও দামও দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে। ওষুধের কাচামাল আমদানিতে কর বা অন্য ফি ধরা হলেও ক্যান্সারের মতো অতি প্রয়োজনীয় ওষুধের বেলায় সব ধরনের কর মওকুফ ও রেয়াতের সুযোগ করা আছে। তাই দাম বাড়ানোর কারণ স্পষ্ট নয়। অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ানো হলে ব্যবস্থা হবে।

একাত্তর/এসি