চিনির দাম এখনই বাড়ছে না মন্তব্য করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ঈদের পর।
সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এখনই বাড়ছে না চিনির দাম। ঈদের পর চিনির দাম বৃদ্ধি নিয়ে বৈঠক হবে। সরকারি সিদ্ধান্তের আগেই যারা দাম বাড়িয়ে চিনি বিক্রি করছে তাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
চিনির দাম সরকার না বাড়ালেও মিল মালিকদের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকেই বাড়তি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে। গত এক বছরে বাংলাদেশে চিনির দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।
২০২২ সালের জুন মাসে চিনির দাম ছিল প্রতি কেজি ৮০ থেকে ৮৪ টাকা। সেই চিনির দাম বর্তমানে ১৪০ টাকায় উঠে গেছে। এরিমধ্যে গত সোমবার চিনির দাম আরেক দফা বাড়ানোর সুপারিশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায় মিল মালিকরা।
২২ জুন থেকে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি ১৫০ টাকা ও খোলা ১৪০ টাকায় বিক্রির সুপারিশ করা হয়। ঘোষণার সাথে সাথেই বেশি দামে চিনি বিক্রি শুরু করে দিয়েছেন দোকানিরা।
চিনির ওপর ভ্যাট কমানোর চেষ্টা করা হবে জানিয়েছে টিপু মুনশি বলেন, চিনি আমদানিতে ভ্যাট ট্যাক্স বেশি। এ বিষয়ে এনবিআরের সাথে আলোচনা করা হবে।
আরও পড়ুন: ভোট চুরি করে আওয়ামী লীগের জিততে হয় না: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, তেলের দাম কমলেও চিনির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে। যেহেতু চিনি আমদানিতে কিছুটা খরচ বাড়ছে, সেহেতু ঈদের পর চিনির দাম কিছুটা বাড়তে পারে। তখন দাম সমন্বয় করা হবে।
বাংলাদেশে চাহিদার সিংহভাগ চিনিই আমদানি করতে হয়। বছরে ১৮ থেকে ২০ লাখ মেট্রিক টন চিনির চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র এক লাখ টনের মতো চিনি দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি চিনি ভারত, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি করা হয়।
একাত্তর/আরবি