ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ফ্লুইড ম্যানেজমেন্ট। ডেঙ্গুর ভয়াবহতার কারণে এখন ডাবের চাহিদা আকাশচুম্বী। আর এই ডেঙ্গুর ঘাড়ে ভর করে ডাবের দাম বেড়েছে দুই থেকে তিন গুণ। স্বাভাবিক সময়ের ৫০ থেকে ৬০ টাকার ডাব এখন কিনতে হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়।
ডাব ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ডেঙ্গু রোগী বাড়ায় ডাবের চাহিদা বেশি। সেই তুলনায় সরবরাহ না থাকায় বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের।
সরেজমিন, রাজধানীর একটি দোকানে বড় আকারের একটি ডাবের দাম এখন ২০০ টাকা। মাঝারি আকারের একটি ডাব কিনতে গেলেও গুনতে হচ্ছে ১৫০ টাকা। একদম ছোট ডাব তার দামও ১০০ টাকার ওপরে।
ক্রেতারা জানান, মূলত ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ ধারণ করার পর থেকেই ডাবের চাহিদা বেড়েছে। বিক্রেতারা যে দামই হাঁকছেন ডেঙ্গু রোগীর জন্য সে দামেই ডাব কিনতে বাধ্য হচ্ছেন স্বজনরা।
এদিকে শুধু যে হাসপাতালের সামনে কিংবা পাড়া মহল্লায় ডাবের দাম বেশি তা নয়; মূলত দাম বেড়েছে আড়ত থেকেই।
মিরপুর বেড়িবাঁধে ডাবের পাইকারি আড়তেই ১০০ ডাবে দাম বেড়েছে গড়ে তিন হাজার টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ছয় হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকায়।
ব্যবসায়ীদের দাবি, অন্তত ১৫ দিন পর সরবরাহ বাড়লে ডাবের দাম একটু কমতে পারে।
আরও পড়ুন:
এদিকে রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ডাবের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে থাকার কথা থাকলেও সেই ডাব বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়। যা একেবারেই উচিত নয়।
তিনি বলেন, ১০০ টাকার বেশি দামে ডাব বিক্রির কোনো অভিযোগ পেলেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ভোক্তা অধিকার।