বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হলে দুদেশের বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ।
আর এই চুক্তি হলে চীনের বিনিয়োগকারীরা আস্থার সাথে এ দেশে বিনিয়োগ করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বাণিজ্য সচিব। এর আগে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন নিয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাথে বৈঠক করেন তিনি।
তপন কান্তি বলেন, বাংলাদেশ-চীন দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক খুবই ভালো। এই চুক্তি হলে দুই দেশে বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়বে।
বাংলাদেশ এখন এলডিসি দেশ হিসেবে বিভিন্ন সুবিধা পেলেও ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বেরিয়ে গেলেও সুবিধা যেনো অব্যাহত থাকে সে লক্ষ্যেই এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানান সচিব।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। গত অর্থবছরে (২০২২-২০২৩) বাংলাদেশে চীনের পণ্য ও সেবা রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ২২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৬৭৭ মিলিয়ন ডলারের।
দুই দেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ২০২৬ সালের মধ্যেই করার চেষ্টা করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানান চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আম, কাঁঠাল, পাটসহ বিভিন্ন কৃষি পণ্য রপ্তানি করতে পারে। এতে বাণিজ্য ঘাটতি কমবে।
আইসিটি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতা বাড়াতে চায় চীন।
অন্যান্য যেসব দেশের সাথে চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে, সেসব দেশের রপ্তানি বেড়েছে জানান ইয়াও ওয়েন। বলেন, এই চুক্তি করলে বাংলাদেশও সুবিধা পাবে।