দেশি কোমল-পানীয়ের চাহিদা বেড়েছে

গরমে চাহিদা বেড়েছে দেশি কোমল পানীয়ের। গত বছরের তুলনায় চাহিদা বেড়েছে প্রায় ২৫ ভাগ। তবে, কোলা জাতীয় পানীয়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি, প্রায় দ্বিগুণ। এদিকে আগে থেকে প্রস্তুতি না নেয়ায় সময়মতো পণ্যের সরবরাহ দিতে হিমশিম অবস্থায় উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের।

ফলের রসের চাহিদাও বেড়েছে এই গরমে। তীব্র গরমে তৃষ্ণার্ত মানুষ যখন হাঁপিয়ে উঠছেন তখনই পথের ধারে খুঁজে নিচ্ছেন বরফ দেয়া লেবুর শরবত। কিছুক্ষণ জিরিয়ে আবার পথ চলা।

এ অবস্থায় বিক্রির চাপে দম ফেলার সময় নেই দোকানির। জানালেন, গরম সাথে সাথে তাদের বিক্রি বাড়ছে।

তাজা ফলের রসের দোকানে ব্যস্ততা আরও বেশি। গল্পের ছলে জিরিয়ে নেয়ার ফাঁকে হরেক রকম ফলের রসে গলা ভিজিয়ে নিচ্ছেন ক্রেতারা।

গলির মোড়ের ছোট দোকানগুলোতে এখন কোমল পানি বিক্রির ধুম। বিদেশি নয়, ক্রেতারা খুঁজছেন দেশী ব্রান্ডের কোমল পানীয়।

cola1

ক্রেতারা বলছেন, স্বাদে-মানে এখন দেশী কোমল পানীয় বিদেশের সাথে পাল্লা দিতে পারে। আর আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও এখন দেশী পানীয়ের বিক্রি বাড়াচ্ছে।

উৎপাদনকারীরা বলছেন, এ বছরের তীব্র তাপদাহ বা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো মাথায় রেখে তাদের তেমন প্রস্তুতি ছিলোনা। তাই পণ্যের জোগান দিতে গিয়ে এখন হিমশিম অবস্থা।

মেঘনা গ্রুপের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার এস এম মুজিবুর রহমান এফসিএ বলেন, গতবারের চেয়ে আমাদের বিক্রি প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। বিভিন্ন কর্নার থেকে আমাদের যে ডিমান্ড আসছে, তা আমাদের স্টকে থাকছে না। আমরা বিভিন্ন জায়গায় সমন্বয় করে সরবরাহ করছি।

মাত্রাতিরিক্ত গরম আর আন্তর্জাতিক রাজনীতি পাল্টে দিয়েছে দেশের কোমল পানীয়ের বাণিজ্যে। এখন কেবল ক্রেতাদের আস্থা ও মনে জায়গা করে নিতে পারলেই এসব দেশী উদ্যোগ তৈরি করতে পারে নতুন যুগের সূচনা।