কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা আগের বছরের তুলনায় তিন হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হবে। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতি ঘোষণায় এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
এর আগে গত ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫ হাজার কোটি টাকা, তার মানে শতাংশের হিসাবে আগের থেকে লক্ষ্যমাত্রা বাড়লো আট দশমিক ৫৭ শতাংশ।
নতুন বছরে ঋণ নীতিমালায় বেশ কয়েকটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কৃষি ও পল্লি ঋণের পরিধি ও আওতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন শস্য ও ফসলের হিসেবে চাষের ঋণ নিয়মাচার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংযোজন করা হয়েছে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকসমূহ ইসলামিক ব্যাংকিং পদ্ধতিতে কৃষি উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের জন্য ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ পদ্ধতি।
কৃষি ঋণ অর্থায়নের আয় উৎসারী খাতের মধ্যে শীতলপাটি বুনন খাতের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গ্রামীণ শুঁটকি উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং মুক্তা চাষে ঋণ বিতরণের নির্দেশনা সংযোজন করা হয়েছে।
সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে কৃষি পণ্য পরিবহণ খাতে দলগতভাবে কৃষি ঋণ বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া ভুট্টা (রবি) ও পেঁয়াজ চাষের জন্য ঋণ বিতরণে।
উপকূলীয় এ্যাকোয়া-কালচার খাতে ঋণ বিতরণ এবং কাঁকড়া, কুচিয়া, সিবাস বা ভেটকি বা কোরাল ও অন্যান্য অপ্রচলিত মৎস্য চাষে ঋণ বিতরণ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলোকে পরিমার্জন করা হয়েছে।
এছাড়াও দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য গ্রাহক পর্যায়ে স্বল্প সুদে অর্থায়নের নিমিত্তে গঠিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আর এই স্কিমের আওতায় যাতে অধিক সংখ্যক প্রকৃত বা প্রান্তিক কৃষক সুবিধা পায়, সে লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণের উদ্ধর্সীমা নির্ধারণ এবং ঋণের আওতা বা খাত বৃদ্ধির নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।