সুতার দাম বাড়ায় মিল মালিকদের দুষছে পোশাক খাত

সুতার দাম বাড়া নিয়ে পরস্পর বিরোধী অবস্থান নিয়েছে টেক্সটাইল মিলস মালিকদের সংগঠন বিটিএমএ এবং পোশাক রপ্তানিকারকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। 

পোশাক রপ্তানিকারকরা বলছেন, বর্তমানে তাদের ক্রয়াদেশ বেশি। তাই অতি মুনাফার লোভে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়েও কয়েকগুণ দাম বাড়িয়ে দিয়েছে মিল মালিকরা। তবে সুতা আমদানিকারকরা বলছেন, দাম বৃদ্ধিতে তাদের কোনো হাত নেই।  

দেশে রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক। বিশ্ব বাজারেও বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। পোশাক খাতে ব্যবহার হওয়া সুতার ৮০ শতাংশ যোগাণ দেয় দেশিয় মিলগুলো।  

পোশাক রপ্তানিকারকরা বলছেন, এবার ক্রয়াদেশ বেশি, তাই সুতার চাহিদাও বাড়বে। বিষয়টি আঁচ করে, বেশি মুনাফার আশায় হঠাৎ করেই সুতার দাম বাড়িয়েছেন মিল মালিকরা।

এমন অবস্থায় দেশি সুতার উপর নির্ভরতা কমাতে চায়, বিজিএমইএ। তাই ভারত থেকে স্থল পথে সুতা আমদানি সহজীকরন করতে বানিজ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠিও দিয়েছে সংগঠনটি। 

আরও পড়ুন: অক্টোবরেই ফিরছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

পোশাক রপ্তানিকারকদের আরেক সংগঠন- বিকেএমইএ এরও অভিযোগ সুতার দাম হঠাৎ বাড়িয়ে দেওয়ায় অনেক ক্রয়াদেশ হাত ছাড়া হয়েছে। 

যদিও স্পিনিং এবং  টেক্সটাইল মিল মালিকদের সংগঠন- বিটিএমএ বলছে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে দেশি সুতার দামে তেমন একটা হেরফের নাই। তবুও সুতার দাম না বাড়াতে সদস্য মিল মালিকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। 

বিটিএমএ'এর দাবি, করোনার কারনে উৎপাদন কমে বিশ্বে তুলার দাম বেড়েছে ৪৮ শতাংশ যার প্রভাবে সুতার দামও বেড়েছে ৩৭ শতাংশ। 


একাত্তর/আরবিএস