‘মূলধারার ব্যাংকের জন্য হুমকি হতে পারে ডিজিটাল ব্যাংক’

ক্যাশলেস সোসাইটি বাস্তবায়ন করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে, বাস্তবতা হলো দেশে এখনও ৭০ শতাংশ লেনদেন হয় নগদ টাকায়। এই অবস্থা থেকে পুরোপুরি ক্যাশলেস সোসাইটি বাস্তবায়ন করাটা বেশ চ্যালেঞ্জ। যদিও আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশে যদি লেসক্যাশ বাস্তবায়ন করা যায় সেটিও বড় সফলতা বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার (৮ নভেম্বর) ফিনটেক সামিটে তারা বলেন, ক্যাশলেস লেনদেনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারলেই কেবল সবাইকে ডিজিটাল লেনদেনে অন্তর্ভুক্তি করা সম্ভব।

১৭ কোটি মানুষের এই দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটি ৫০ লাখ। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ। এছাড়া ২ কোটি ৪০ লাখ এমএফএস অ্যাকাউন্ট আছে।

প্রতিদিন ১২ হাজার কোটি টাকা ডিজিটাল লেনদেন হয়। এটি দিনের মোট লেনদেন ৩০ শতাংশেরও কম। এখনো ৭০ শতাংশের বেশি লেনদেন হয় নগদ টাকায়। এই বাস্তবতায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজন করা হয় দিনব্যাপী ফিনটেক সামিট।

যেখানে বক্তারা বলেন, পুরোপুরি ক্যাশলেস সোসাইটি বাস্তবায়ন করাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য চ্যালেঞ্জ। যদিও আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশে যদি লেসক্যাশ বাস্তবায়ন করা যায় সেটিও বড় সফলতা বলে মনে করেন তারা। 

মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, ভিসা কার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদসহ অন্যান্যরা এসময় বক্তব্য রাখেন।

বিভিন্ন ব্যাংকের কর্তারা বললেন, গ্রাহকের সুরক্ষা সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ক্যাশ টাকার ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করতে হবে। তাহলেই কেবল ক্যাশলেস সোসাইটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

কোনো সেবা উন্মুক্ত করার আগে সে সম্পর্কে ব্যাংকগুলোকেই গ্রাহকের সচেতন করতে হবে। তাদের তথ্যও সুরক্ষিত করতে হবে। তবে, ক্রেডিট কার্ডের সহজ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এনবিআর’র ভূমিকা এক্ষেত্রে অগ্রগণ্য। এমনটাই জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক শরাফত উল্লাহ খান।

তবে ডিজিটাল ব্যাংক, মূল ধারার ব্যাংকের জন্য ভবিষ্যতে হুমকি হতে পারে বলেও মনে করেন আলোচকরা।