চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দেওয়া পূর্বাভাসকে কিছুটা ‘রক্ষণশীল’ বলে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে আইএমএফ কিংবা বিশ্বব্যাংক—কারো পূর্বাভাসকেই বিতর্কিত করতে চান না বলে জানিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কাছে বাংলাদেশ অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহযোগিতা চেয়েছে বলে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে ভিত্তিহীন ও গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ব্যাংককে চলমান বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে আইএমএফের নিরাপত্তা পরিচালক উরজিত প্যাটেল এবং বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনা বিয়ের্দের সঙ্গে আলাদা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
সম্প্রতি প্রকাশিত আইএমএফের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে আসতে পারে তিন দশমিক দুই শতাংশে, যা সংস্থাটির আগের পূর্বাভাসের চেয়ে এক দশমিক এক শতাংশ কম। এর আগে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) চার শতাংশ এবং বিশ্বব্যাংক তিন দশমিক চার শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলো। আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর এমন পূর্বাভাস কম আয়ের মানুষের জন্য বড় দুঃসংবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ মূল্যস্ফীতি বা জিনিসপত্রের দাম সহসাই কমার লক্ষণ মিলছে না।
জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির এই পূর্বাভাস প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা আমাদের কাজ করছি। সময় যখন আসবে, তখনই দেশের অর্থনৈতিক মানদণ্ডগুলোর সঠিক চিত্র সবাই দেখতে পাবে।
বিশ্বব্যাংকের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত সহায়তা চাওয়া সংক্রান্ত প্রচারিত খবরের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো অনুরোধ করা হয়নি এবং এ ধরনের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।