এল নিনোর প্রভাবে এশিয়ার প্রধান চাল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে ফসল উৎপাদন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম পৌঁছেছে প্রায় দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। এতে, বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা।
মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আবহাওয়ার পরিবর্তন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও শুষ্ক পরিস্থিতির কারণে এশিয়ায় চাল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
এদিকে থাইল্যান্ডের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৪৯৯ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বাজারে অপরিশোধিত ধানের দাম চলতি বছরের ১০ মাসে ৮০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে বিশ্বে চালের উৎপাদন কমতে পারে। এশিয়ায় বিশ্বের অর্ধেকের বেশি চাল উৎপাদিত হওয়ায় এ অঞ্চলের আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব আন্তর্জাতিক সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্যও উদ্বেগ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম বাড়লে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং দেশের বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হতে পারে। ফলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন, সরকারি মজুত ও বাজার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।