গণতান্ত্রিক পুনর্যাত্রার পর দেশের নতুন সরকারের প্রথম এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের বৃহত্তম বাজেট ঘোষিত হয়েছে। ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে এই বিশাল বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন তিনি। এটি গত অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গঠিত নতুন সরকারের এটিই প্রথম বাজেট।
বাজেট বক্তৃতার শুরুতে অর্থমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদ ও আহত যোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, এই বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের একটি সুনির্দিষ্ট পথ-নকশা।
সামষ্টিক অর্থনীতির মূল লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ
বাজেটে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) ৬.৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যমেয়াদি কৌশলের অংশ হিসেবে ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, এলএনজি ও সারের মূল্যবৃদ্ধির চাপ মাথায় রেখেই এই সামষ্টিক কৌশল সাজানো হয়েছে।
এক নজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট কাঠামো
অতীতের অর্থনৈতিক ধ্বংসস্তূপের খতিয়ান
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বিগত দেড় দশকের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনামলের’ সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট ও অর্থ পাচারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অতীতের কিছু তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন।
- ২০০৫-০৬-এ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৭৮%, যা ২০২৪-২৫-এ ৩.৪৯%-এ নেমে এসেছে।
- ২০০৫ সালের শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ১৩.৬%, যা ২০২৫-২৬-এর প্রথম প্রান্তিকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫.৭৩% (প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা)।
- বৈদেশিক ঋণ ২০০৬ সালের ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা থেকে ৬.৫ গুণ বেড়ে ২০২৪ সালে ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা হয়েছে।
- সুদ পরিশোধের ব্যয় ২০০৫-০৬ সালের ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা থেকে ১৩ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৩-২৪ সালে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
শীর্ষ ১০ অগ্রাধিকার খাত
অর্থনীতি পুনর্গঠনে সরকার ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে: সেগুলো হলো-
- সবার জন্য উন্নয়ন: বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি
- মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা: দক্ষতা-নির্ভর শিক্ষা ও সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা
- সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা: জীবনচক্রভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
- বিনিয়োগ-নির্ভর, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি: শিল্পায়ন ও যুব কর্মসংস্থান
- সহজ ব্যবসা পরিবেশ: সরকারি কাজে বিলম্ব পরিহার
- আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা: ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের সংস্কার
- জ্বালানি নিরাপত্তা: নিরবচ্ছিন্ন ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ
- আইসিটি বিকাশ: বাংলাদেশকে বৈশ্বিক আইসিটি রপ্তানিকারক দেশে রূপান্তর
- পরিবেশ ও পানিসম্পদ: জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলা ও নদী খনন
- স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা: মেধাভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান
সাধারণ মানুষের জন্য বড় স্বস্তি: ভ্যাট ও ট্যাক্সে ব্যাপক ছাড়
৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর হ্রাস:
জনজীবনে স্বস্তি আনতে মৌলিক কৃষি ও ভোগ্যপণ্য (চাল, ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ভোজ্যতেল, চিনি, লবণ ইত্যাদি) সরবরাহের ওপর উৎসে কর বিদ্যমান ৫%, ২% বা ১% থেকে কমিয়ে মাত্র ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
মোবাইল সেবার খরচ কমছে:
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে প্রতিটি মোবাইল সিমের ওপর আরোপিত ৩০০ টাকা সুনির্দিষ্ট কর সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে, যার ফলে সরকারের ১২০০ কোটি টাকা রাজস্ব হ্রাস পাবে। এছাড়া মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবায় উৎসে কর ১২% থেকে কমিয়ে ১০% করা হয়েছে।
ফ্রি ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি খাতের প্রণোদনা:
প্রথম ১০০ দিনে দেশের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনগুলোতে ফ্রি ইন্টারনেট চালুর পর এবার ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য শতভাগ কর ও ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। স্টার্টআপদের স্থানীয় ভ্যাট ও অফিস ভাড়ার ওপর ১৫% ভ্যাট ২০৩৫ সাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। ল্যাপটপ, ডেস্কটপ ও প্রিন্টার আমদানির শুল্ক-ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য পাঁচ বছরের স্থায়ী রোডম্যাপ
করদাতাদের সুবিধার্থে আগামী ৫ বছরের জন্য প্রগতিশীল করকাঠামোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষের জন্য করমুক্ত আয়সীমা বিদ্যমান ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
- নারী ও ৬৫ ঊর্ধ্ব নাগরিকদের জন্য করমুক্ত সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ৫ লাখ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও 'জুলাই যোদ্ধাদের' জন্য করমুক্ত সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমছে:
কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানির ওপর ১৫% ভ্যাট এবং ৫% অগ্রিম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে, যার ফলে প্রতি ডায়ালাইসিসে খরচ প্রায় ৮০০ টাকা কমবে। এছাড়া হার্টের রিং ও চোখের লেন্স সরবরাহের ওপর ১০% ভ্যাট মওকুফ করায় হার্টের রিংয়ের দাম প্রায় ২০,০০০ টাকা এবং লেন্সের দাম ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।
২০২৬-২৭ করবর্ষের করের ধাপসমূহ:
- প্রথম ৩,৭৫,০০০ টাকা পর্যন্ত: ০%
- পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত: ১০%
- পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত: ১৫%
- পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত: ২০%
- পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত: ২৫%
- অবশিষ্ট আয়ের ওপর: ৩০%
খাতভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দ ও উদ্যোগ
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ একলাফে বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা (জিডিপির ২%) করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগের বছর ছিল ৮৭,২০৬ কোটি টাকা। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উচ্চশিক্ষা ঋণ সুবিধা এবং প্রযুক্তি শিক্ষায় "ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব" কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মেয়েদের বিনামূল্যে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাত:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বিগত সংশোধিত বাজেটে ছিল ৩৫,৪৭৭ কোটি টাকা। প্রতিটি ইউনিয়নে আধুনিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট গঠন এবং প্রত্যেক নাগরিককে "ই-হেলথ কার্ড" দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ৫,০০০ নতুন চিকিৎসক এবং ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
কৃষি, খাদ্য ও সামাজিক সুরক্ষা:
কৃষক কার্ড: ১০০টি উপজেলায় ৪২.৫ লাখ কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকেরা বছরে ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। কৃষি ও খাদ্য খাতে মোট বরাদ্দ ৪৩,৩৩৫ কোটি টাকা।
ফ্যামিলি কার্ড: নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে পরিবারের প্রধান নারীকে প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে ভাতা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আগামী অর্থবছরে ১৪,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী: ৬৫ ঊর্ধ্ব প্রবীণদের ট্রেনে সম্পূর্ণ ফ্রি এবং মেট্রোরেলে ২৫% ভাড়ায় ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৮ লাখে উন্নীত করে মাসিক ভাতা ১,০০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: শহিদ পরিবারকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা অব্যাহত থাকবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি:
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মোট ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, অতীতে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে এ খাতে বার্ষিক ভর্তুকির বোঝা ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। নতুন সরকার অদক্ষ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট চাহিদার ২০% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সৌরবিদ্যুৎ খাতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত শূন্য শতাংশ করহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন:
আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ৩.৫ লাখ সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্য ৩০% কমাতে ‘Circular Future Model’ বাস্তবায়ন করা হবে। নদী ও খাল খনন কর্মসূচির আওতায় ২০,০০০ কিলোমিটার জলাশয় পুনঃখনন করা হবে।
কর্মসংস্থান ও শিল্পায়ন:
বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘Stimulus Package-2026’ ঘোষণা করেছে, যেখানে সরকার ৬ শতাংশ সুদ ভর্তুকি দেবে। এর মাধ্যমে ২৫ লাখের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি (EV) উৎপাদনকারী শিল্পকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ডিজেল-পেট্রোল চালিত গাড়ির সামগ্রিক করভার ১৩২.৩৬% থেকে বাড়িয়ে ১৫৫.৮৮% করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
যোগাযোগ অবকাঠামো:
যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৬০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ৬টি মেট্রোরেল লাইনের পাশাপাশি মেট্রোরেলের সাথে মনোরেলভিত্তিক ফিডার নেটওয়ার্ক নির্মাণ, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব ৮০ কিমি কমাতে ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণ এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর:
বিগত ১১ বছর যাবত সরকারি কর্মচারীদের একই বেতন কাঠামো থাকার বিষয়টি বিবেচনা করে মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সার্বিক অগ্রগতি বিবেচনা করে সংশোধিত বাজেটে কিছু সমন্বয় করা হয়েছে। সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আয় ২৪ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা এবং সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে সংশোধিত বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।