ডিম, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ কেন, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ডিম-আলু-পেঁয়াজের দাম বেঁধে দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র। ডিম আমদানিতে জটিলতা এবং পেঁয়াজে ভারত ডিউটি বাড়িয়েছে বলেই তারা দাম নিয়ন্ত্রণে সফল হতে পারেননি। 

১০ ব্যবসায়ীকে ১০ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে হয়তো ভারতের ডিম দেশে ঢুকবে। 

রোববার রাজধানীর ধানমন্ডি লেক (ডিঙ্গি) সংলগ্ন ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ের সামনে টিসিবির এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারীদের কাছে চালসহ টিসিবির পণ্য সাশ্রয় মূল্যে বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমদানি করা ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। যার মধ্যে একটি হলো রপ্তানিকারক দেশের সরকার কর্তৃক এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ভাইরাস ও ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ামুক্ত মর্মে সনদ দাখিল করতে হবে। দেশে এর আগে ডিম আমদানি না হওয়ায় এই সনদ পেতে আমদানিকারকদের কিছুটা সময় লাগায় ডিম আসতে দেরি হচ্ছে। 

তিনি বলেন, টিসিবির কার্ড সিস্টেমটা ডিজিটাল করা হচ্ছে। এ মাসের শেষ নাগাদ পাঁচটি জেলা ডিজিটাল কার্ডের আওতায় আসবে বলেও জানান টিপু মুনশি।

এসময় টিসিবি মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বলেন, এ মাসে ফ্যামিলি কার্ডধারীরা ১০০ টাকা লিটার দরে দুই লিটার সয়াবিন তেল, ৩০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাল, ৭০ টাকা দরে এক কেজি চিনি, ৩৫ টাকা দরে ২ কেজি পেঁয়াজ আর ৬০ টাকা কেজি দরে এক কেজি মশুর ডাল কিনতে পারবেন। তবে, চিনি আর পেঁয়াজ কিনতে পারবেন শুধুমাত্র ঢাকার কিছু কার্ডধারী। 

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম বাবলা।