শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচি পালনের কথা বললেও ২৮ অক্টোবর দিনভর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নাশকতা করে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা। এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মারা যায় আরও দুজন সাধারণ মানুষ। হামলা চলে প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে। আগুন দেয়া হয় হাসপাতালের এম্বুলেন্স ও বাসে।
এসবের মাঝেই বিএনপির ডাকে তিনদিনের অবরোধ শুরু হচ্ছে মঙ্গবার, অবরোধ ঘিরে নাশকতার কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও এই কর্মসূচিকে ঘিরে নাশকতার আশঙ্কা দেখছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার খন্দকার মহিদ উদ্দিন।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ২৮ অক্টোবর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের কথা বলে দিনভর বিএনপি জামায়াত যে নাশকতা করেছে সেই কারণেই এই শঙ্কা।
এদিকে অবরোধ কর্মসূচীকে ঘিরে সারাদেশেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা জানিয়েছে র্যাব।
মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে তিনদিনের জন্য সড়ক, রেল ও নৌপথ অবরোধের ডাক দিয়েছে বিএনপি-জামাত। অবরোধে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যপক নিরাপত্তা নেয়ার কথা বলছে ডিএমপি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেন, দুষ্কৃতিকারীদের ব্যাপারে পুলিশ সজাগ আছে। বিশৃঙ্খলাকারী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
অবরোধকে কেন্দ্র করে সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করেছে র্যাব। এই বাহিনীর টহল টিম গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে টহল দিচ্ছে। অবরোধের নামে নাশকতার চেষ্টা হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান র্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংসের পরিচালক কমান্ডর খন্দকার আল মইন।
তিনি বলেন, কেউ যদি কোনপ্রকার নাশকতা কিংবা সহিংসতার পরিকল্পনা করে তাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। যেকোন উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় র্যাব প্রস্তুত রয়েছে।
বিএনপির তিনদিনের অবরোধে মাঠে থাকবে বিজিবি ও আনসার সদস্যরা। তারাও যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা কর্মকর্তারা।