চালের দাম নিয়ন্ত্রণে খুচরা দোকানে অভিযান চালানোকে প্রহসন বলছেন চালের খুচরা বিক্রেতারা। তাদের মতে বড় মিলার বা মজুদদারদের গোডাউনে না গিয়ে খুচরা বাজারে অভিযান চালালে সুফল মিলবে না। এদিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত বলছে, সব পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণ করতে চান তারা।
ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়তি থাকা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার পর বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে খাদ্য অধিদপ্তর। প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে দোকানে দোকানে অভিযান চালাচ্ছেন তারা। এতে খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রশ্ন তুলছেন বড় মোকাম, মিল কিংবা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের চালের গোডাউনে অভিযান না চালিয়ে খুচরা বাজারে অভিযান চালানো প্রহসন।
মঙ্গলবার একই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত আসে মোহাম্মদপুরের টাউনহল বাজারে। দোকানে দোকানে মূল্য রসিদ লাইসেন্সের নজরদারি করলেও কোনো জরিমানা করা হয়নি।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জরিমানা নয় বরং সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছেন তারা।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: কামরুজ্জামান বলেন, সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে আমরা কঠোর পর্যায়ে যাবো। তারপরও অনিয়ম হলে পরবর্তীতে জরিমানা করবো।
বড় মিল বা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে অভিযান না চালিয়ে কেন খুচরা বাজারে অভিযান করছেন এমন প্রশ্নও ছিলো মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার কাছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আরও বলেন, আমাদের যে নির্দেশনা, আপাতত আমরা পাইকারি বাজার ও খুচরা বাজার মনিটরিং করছি ঢাকা শহরে।
গেলো কয়েক দিনের অভিযানের পর বাজারে মোটা জাতের চালে এক থেকে দুই টাকা কমেছে। যদিও এর আগেই একলাফে দর বেড়েছিল ৫ থেকে ৬ টাকা।