চারদিনের রিমান্ডে ব্যারিস্টার কাজল

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোট গণনা নিয়ে মারামারির ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতপন্থি নীল প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল হুদা চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের আবেদনে সাড়া দিয়ে এ আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারের পর রুহুল কুদ্দুস কাজলকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ।

কাজলকে শনিবার সন্ধ্যায় পল্টন থেকে আটক করে সিআইডি। পরে শাহবাগ থানায় তাকে হস্তান্তর করা হলে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখায়।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ মেয়াদে কার্যকরী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত বুধ ও বৃহস্পতিবার। এরপর ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে রাতে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমান সিদ্দিকীকে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।  

এরপর শুক্রবার ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ৩০ থেকে ৪০ জন অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে মামলা করা হয়।

শাহবাগ থানার ওই মামলায় স্বতন্ত্র সম্পাদক প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথীকে এক নম্বর এবং রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দুই নম্বর আসামি করা হয়।

এই মামলায় পাঁচ আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করে শনিবার আদালতে হাজির করা হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। ওই পাঁচ আইনজীবী হলেন–আইনজীবী কাজী বশির আহমেদ, তুষার, তরিকুল, এনামুল হক সুমন ও ওসমান চৌধুরী।

এদিন রিমান্ড শুনানিতে আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার। তারা কাজলের রিমান্ড আবেদন বাতিল এবং জামিনের জন্য আবেদন করেন।