রাজধানীর সব জায়গায় দাপটের সাথেই চলছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। মিরপুর, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, মুগদা, বাসাবো, খিলক্ষেত, মগবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার অটোরিকশা চলাচল করছে। রাত হলেই গলিপথ ছেড়ে রাজপথ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এসব রিকশা। অনিয়ন্ত্রিত এই বাহনের কারণে পাড়া মহল্লাতেও লেগে থাকে যানজট।
ষাটোর্ধ্ব আমির হোসেন। গেল পাঁচ বছর ধরে মিরপুরে ব্যাটারি চালিত রিকশা চালান। সেই আয়ে চলে তার তিন সন্তানের পড়াশুনা-সংসার খরচ। সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে অটোরিকশা বন্ধ হলে কি করবেন; তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় তিনি।
প্রতিদিনই কোনো না কোনো এলাকা থেকে রিকশা ডাম্পিং করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। মিরপুরসহ প্রতিটি সড়কেই পায়ে চলা রিকশার চেয়ে অটোরিকশার সংখ্যাই বেশী। ফলে অলিগলিতেও এখন যানজট।
কিন্তু অটোরিকশাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে আরও নানা খাত। ব্যাটারি চার্জের জন্য গ্যারেজ বা রিকশা মেরামত ও যন্ত্রাংশ বিক্রির দোকান। সব মিলে এই খাতকে ঘিরে গেলো কয়েক বছরে নীরবেই গড়ে উঠেছে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান।
তবে এও সত্যি রাজধানীসহ সারাদেশেই বিশৃঙ্খল সড়ক পরিস্থিতির কারণ হয়েছে অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশা। যেমন খিলখেতে এক কিলোমিটার সড়কে প্রায় চার হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার দাপট।
সড়কের শৃঙ্খলায় প্রতিদিনই চালকদের শাস্তির আওতায় আনছে ট্রাফিক বিভাগ।
পল্লবী এলাকার ট্রাফিক সার্জেন্ট ফরহাদ মোল্লা বলেন, এখনও আইনগত ব্যবস্থা চলমান। আমরা আমাদের লজিস্টিক সাপোর্ট অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে শিগগির রাজধানীতে এসব অবৈধ বাহন বন্ধের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।