কোরবানি করতে গিয়ে একদিনে আহত ৩২০

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানি দিতে গিয়ে গরুর শিংয়ের আঘাত, লাথি ও ছুরির আঘাতে আহত হয়ে এখন পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ১৫৮ ও জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ১৬২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। 

সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢামেক ও পঙ্গু হাসপাতালে মোট ৩২০ জনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়।

কোরবানি করতে গিয়ে গরুর লাথি ও গুঁতা খেয়ে হাত ও পায়ের হাড় ভেঙে আহত হয়েছেন অনেকে। অনেকের হাত-পায়ের রগ কেটে গেছে।

ঢামেক জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. খন্দকার মোহাম্মদ মেহেদী আমান গণমাধ্যমকে জানান, কোরবানি দিতে গিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আহত অবস্থায় আমাদের এখানে ১৫৮ জন চিকিৎসা নিয়েছে। আহতদের জরুরি বিভাগ থেকে সেলাই ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পঙ্গু হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মানস দাস জানান, আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পশু কোরবানি দিতে গিয়ে প্রায় ১৬২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে এলে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক।

এছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানি দিতে গিয়ে গরুর লাথি খেয়ে ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও অনেকে।

এর আগে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ মো. মাসুদ জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে ১৫০ জন কোরবানির গরু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নেন। আহতদের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। আহতদের মধ্যে এ পর্যন্ত মৌসুমী কসাইয়ের সংখ্যাই বেশি।