রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক পুলিশ কর্মকর্তার বাবা-মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কোনাপাড়া থেকে শফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ছেলে পুলিশের বিশেষ শাখায় কর্মরত এসআই ইমন ঘটনার সময় ঢাকায় ছিলেন না।
পুলিশ বলছে, এটি ডাকাতি নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড তদন্তের পরই তা জানা যাবে।
নিহত শফিকুর-ফরিদা দম্পতি পশ্চিম মোমেনবাগের আড়াবাড়ি বটতলায় চারতলা বাড়ির দোতলায় থাকতেন। এই দম্পতির একমাত্র ছেলে ইমন পুলিশের বিশেষ শাখার (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এসআই।
ইমন ও তার স্ত্রী একই বাসায় মা–বাবার সঙ্গে থাকেন। বুধবার রাতে ইমন তার দাদাবাড়ি ফেনী এবং তার স্ত্রী নিজের বাবার বাড়িতে চলে যান।
সকালে জাতীয় জরুরি সেবা নাম্বারে (৯৯৯) ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা বাসার নিচতলার পার্কিংয়ে শফিকুরের লাশ দেখতে পায়। শফিকুর রহমানের গলা ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিলো।
দোতলায় শোবার ঘরে মশারির ভেতর শফিকুরের স্ত্রী ফরিদার লাশ পাওয়া যায়। তারও মাথা এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, ভোরে শফিকুর নামাজ শেষে ফেরার পথে খুনিরা প্রথমে তাকে হত্যা করে, পরে হত্যা করা হয় তার স্ত্রীকে।
ওয়ারী বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, মৃত্যুর বীভৎসতা দেখে আমরা ধারণা করতে পারি, বিষয়টি পরিকল্পিত। শুধুমাত্র ডাকাতির জন্য বা চুরি করার জন্য এ ধরনের হত্যা হওয়ার কথা না।
পুলিশ জানায়, তদন্তের পর জানা যাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কী না। সিআইডির শনাক্তকরণ দল আলামত সংগ্রহের কাজ করছে।