প্রেসক্লাবে আয়োজিত দ্রোহ যাত্রার কর্মসূচি থেকে সরকার পতনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষকরা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সামনে রেখেই ভবিষ্যতের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা জানান তারা।
শুক্রবার বিকেলে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিবাবকসহ হাজারো মানুষের ‘দ্রোহ যাত্রা’ নামের মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। রোববার আবারও একই কর্মসূচির ডাক দেন আয়োজকরা।
দ্রোহ যাত্রার কর্মসূচিতেতে প্রেসক্লাব এলাকায় চিল শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফুর্ত উপস্থিতি। নানা আয়োজনে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন তারা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ঘটনায় বিচারের দাবিতে প্রেসক্লাব এলাকায় জড়ো হতে থাকেন শিক্ষক, ছাত্র ও অবিভাবকরা।
একে একে বাড়তে থাকে মিছিলের সংখ্যা। নানা দিক থেকে ছোট ছোট মিছিল এসে জড়ো হয় প্রেসক্লাবে। উপস্থিত হয় কয়েক হাজার মানুষ। পরে সেখান থেকেই শহীদ মিনারের দিকে যাত্রা শুরু করে দীর্ঘ মিছিল।
এ সময় সড়কের মোড়ে মোড়ে ছিলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি। তবে কোনো বাধা ছাড়াই মিছিলটি পৌছায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে। এ সময় মিছিলের শেষ প্রান্তটি দোয়েল চত্বর ছুয়ে যায়।
এর আগে প্রেসক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সামনে রেখেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নতুন পথ তৈরির আহবান জানান আয়োজকরা।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, পদত্যাগ বললেই হবে না। মুক্তিযুদ্ধকে যেমন জনগণের হাতে নিয়ে আসতে হবে, এই দেশকেও জনগণের হাতে নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য গণতান্ত্রিক রূপান্তর কীভাবে হবে সেই আলোচনাই হবে এখনকার প্রধান এজেন্ডা।
আর সমাবেশে অংশ গ্রহণকারীদের কণ্ঠে ছিলো দাবি আদায়ের স্লোগান।
পরে মিছিলটি শহীদ মিনারে পৌঁছালে আন্দোলনের নতুন চারটি দাবিসহ পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়।