বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘গ্রাউন্ড সার্ভিস এসিস্ট্যান্ট’ পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অন্যের হয়ে (প্রক্সি) পরীক্ষা দিতে এসে দুইজন এবং ব্লুটুথ ডিভাইস ব্যবহারের অপরাধে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, আটক তিনজন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় বিমান কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে।
বোসরা ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী মো. সজিব সরদারের প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসে আটক হন আফজাল হোসেন বাদশা (৩৫)। তাকে মিরপুর মডেল থানা পুলিশের নিকটে হস্তান্তর করে এজাহার দায়ের করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। আর বিএএফ শাহীন কলেজ তেজগাঁও কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী মো. মনিরুজ্জামান (২৮) ব্ল-টুথ ডিভাইজের সাহায্যে বাইরে থেকে প্রশ্নের উত্তর সংগ্রহ করার সময়ে আটক হন। তাকেও কাফরুল থানা পুলিশের নিকটে হস্তান্তর করে এজাহার দায়ের করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
এছাড়াও সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুর্মিটোলা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী মো. মোরসালিন হোসাইনের প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসে আটক হয়েছেন আরিফুল ইসলাম (২৯) নামে একজন। তাকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের নিকটে হস্তান্তর করে এজাহার দায়ের করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
বোসরা ইসলাম বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিমানের বিভিন্ন পদে অবৈধভাবে নিয়োগ বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং আসামিরা ওই চক্রের সক্রিয় সদস্য।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ সংস্থাটিতে নিয়োগ সংক্রান্ত যেকোনও অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’র প্রতিপালন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাই সর্বসাধারণকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ যেকোনো মাধ্যমে অবৈধভাবে নিয়োগের প্রলোভনের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।