ক্রেতা-বিক্রেতার আনাগোনায় জমে উঠেছে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট। তবে পশুর ন্যায্য দাম না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন বিক্রেতারা। আর ক্রেতাদের দাবি, বেশি দাম হাঁকিয়ে পশু ছাড়তে চাইছেন না বিক্রেতারাই। এরমধ্যেই দর কষাকষিতে মিললেই পছন্দের পশু নিয়ে বাড়ি ফিরছেন ক্রেতারা।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ জুন) ছিলো শেষ কর্মদিবস। অফিসে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় হাটগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। বিরামহীনভাবে চলেছে কেনাবেচাও।
এবার রাজধানীর ২১ স্থানে পশুর হাট বসেছে। হাটে মিলছে নানা জাতের গরু ছাড়াও খাসি, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। দেখা মিলছে উট-দুম্বারও। এবারও মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি।
পছন্দের কোরবানির পশু কিনতে বুধবার রাতভর হাটে হাটে ঘুরে ভোরে গরু নিয়ে বাসায় ফিরছেন অনেকে। আবার অনেকে হাটে এসেছেন আজ ভোরবেলাতেই। ঘুরে দেখছেন হাট।
ফরিদপুরের খামারি আব্দুল ওয়াহাব। প্রতিবারের মতো এবারও গাবতলিতে নিজের হাতে যত্ন করা ১২টি গরু নিয়ে এসেছেন। এরই মধ্যে ছয়টি বিক্রি হয়েছে। বাকিগুলো নিয়ে ক্রেতার সাথে চলছে দর কষাকষি।
আব্দুল ওয়াহাবের মতো দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু নিয়ে এসেছেন খামারিরা। তবে অন্যবারের তুলনায় এবার ক্রেতা কম দাম হাঁকছে বলে দাবি তাদের।
যদিও ক্রেতাদের অভিযোগ, বেশি দাম হাঁকিয়ে পশু ছাড়ছেন না বিক্রেতারাই।
ঈদের আর একদিন বাকি। শেষ মুহূর্তে হাট আরও জমজমাট হবে এমনটাই আশা বিক্রেতাদের।