ঈদের আগের দিনও সড়ক-রেলপথের মতো নদীপথে রাজধানী ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে অতিরিক্ত যাত্রী চাপ না থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে লঞ্চ না ছাড়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। শিডিউল জটিলতার পাশাপাশি তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরমে ভোগান্তি চরমে যাত্রীদের। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম জানান, কিছু লঞ্চ দেরিতে ছাড়লেও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। পরিবারের সাথে ঈদ করতে ঈদের আগেরদিনও রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। বাড়ি ফিরতে সকাল থেকেই সদরঘাটে আসতে থাকেন যাত্রীরা। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত অতিরিক্ত যাত্রী চাপ না থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে লঞ্চ না ছাড়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
ভ্যাপসা গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে ক্ষোভ জানান তারা। তবে কর্তৃপক্ষ বলছেন, ঈদের মৌসুম হওয়ায় লঞ্চ ছাড়ার নির্দিষ্ট কোনো সময় রাখা হয়নি। যাত্রী ভরে গেলেই ছাড়া হচ্ছে লঞ্চ।
এই চিত্র দেখা যায় প্রায় সবগুলো লঞ্চেই। ছাদ পর্যন্ত যাত্রী ভরে গেলেও সময়মতো ছাড়ছে না লঞ্চগুলো। রোদের হাত থেকে রেহাই পেতে বিছানার চাদর আর কাঁথা দিয়ে তাঁবু টাঙিয়ে নেন যাত্রীরা।
সকাল সাড়ে দশটার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে আসেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম। উপদেষ্টার তাৎক্ষণিক নির্দেশে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় কয়েকটি লঞ্চ। পরে এক ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা বলেন, কিছু লঞ্চ দেরিতে ছাড়লেও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোর থেকে শুরু করে বেলা ১১টা পর্যন্ত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ২৮টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। যার অধিকাংশই ছুটে গেছে ইলিশা, চাঁদপুর, লালমোহনে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৩৫টি লঞ্চ সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। সন্ধ্যা ও রাতে সবচেয়ে বেশি লঞ্চ ছেড়ে যাবে।