ডিআরইউতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, অধিকতর তদন্তে পিবিআই 

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলাটি অধিকতর তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজির শুনানির জন্য ধার্য ছিল। এ জন্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন। তাদের উপস্থিতিতে শুনানি শুরু হয়। এসময় বাদীপক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার জানান, আসামি পিস্তল উঁচিয়ে ডিআরইউ সভাপতি আকনকে হত্যার চেষ্টা করেন। চায়ের দোকান ভাঙচুর ও চুরির বিষয়ে পুলিশ কোনো তদন্তে উঠে আসেনি। অথচ পুলিশ তিনজনকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করেছেন। পুলিশ তদন্তের ফলাফল বাদীকে জানায়নি। প্রত্যক্ষ সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। এমনকি কোনো আলামত জব্দ করেনি। পুলিশ যে তদন্ত প্রতিবেদন তা অন্তঃসারশূন্য। ন্যায় বিচারের স্বার্থে পুনরায় তদন্তের প্রার্থনা করছি। এসময় মামলার বাদী সোলাইমান হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। 

২০২৫ সালের ২১ মে রাতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলার ঘটনা ঘটে। পিস্তল, দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সন্ত্রাসী জাকির হোসেন, বিউটি খাতুন, আদর আক্তার, উদয় হাসান, হৃদয়, অন্তরা, ইমু, রানা, কামাল ও রতনসহ অজ্ঞাত প্রায় ৫০ জন সন্ত্রাসী এই হামলায় অংশ নেয়।

এ সময় ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, তৎকালীন দফতর সম্পাদক রফিক রাফি, সদস্য মশিউর রহমান, মাহবুব হাসান, দেলোয়ার মহিন, মফিজুল সাদিকসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

গত ২২ মে বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলাইমান হোসাইন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৫০ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে শাহবাগ থানা পুলিশ তিন আসামিকে অব্যাহতি ও সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দেয়।