নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলা, ভাংচুর ও আগুনের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে আরো তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এই ঘটনায় চারটি মামলায় এখন পর্যন্ত ৭১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম জানান, বুধবার দিবাগত রাতে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে শনাক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের ইলিয়াস, একলাশপুর ইউনিয়নের মিজানুর রহমান ও গনিপুরের নুর নবী।
এছাড়া একলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরো বলেন, বাকি দোষীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়াও পূজামণ্ডপে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় একলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসপি শহিদুল বলেন, বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ দেখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামিদের চিহ্নিত করে অভিযান চারিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করি।
পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত চারটি মামলায় ৭১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এই ঘটনার জেরে চাঁদপুরে জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন মারা যায়। এই ঘটনার জেরে দু’দিন পর নোয়াখালীতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় একজন নিহত হন।
একাত্তর/এসএ